নারায়ণগঞ্জে সন্ত্রাসী ও চাঁদাবাজদের বিরুদ্ধে শিগগিরই শুরু হচ্ছে বিশেষ অভিযান


Kamrul Islam Sohel প্রকাশের সময় : জুন ২৭, ২০২৬, ৯:৫৭ অপরাহ্ন / ১০০০
নারায়ণগঞ্জে সন্ত্রাসী ও চাঁদাবাজদের বিরুদ্ধে শিগগিরই শুরু হচ্ছে বিশেষ অভিযান

নারায়ণগঞ্জে সন্ত্রাসী ও চাঁদাবাজদের বিরুদ্ধে শিগগিরই শুরু হচ্ছে বিশেষ অভিযান

 

নারায়ণগঞ্জ জেলায় সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি, দখলবাজি, মাদক ব্যবসা এবং বিভিন্ন ধরনের অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড দমনে শিগগিরই ব্যাপক পরিসরে বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হবে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে। সাধারণ মানুষের জানমাল রক্ষা, ব্যবসা-বাণিজ্যের স্বাভাবিক পরিবেশ নিশ্চিত করা এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির আরও উন্নয়নের লক্ষ্যে এ অভিযান পরিচালনার প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে। এতে জেলা পুলিশ, গোয়েন্দা সংস্থা এবং অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী সমন্বিতভাবে অংশ নেবে।

 

সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, নারায়ণগঞ্জের বিভিন্ন এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে সক্রিয় সন্ত্রাসী, চাঁদাবাজ, দখলবাজ ও অপরাধী চক্রের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নেওয়া হয়েছে। ইতোমধ্যে বিভিন্ন গোয়েন্দা তথ্য সংগ্রহ, অপরাধীদের তালিকা হালনাগাদ এবং ঝুঁকিপূর্ণ এলাকাগুলো চিহ্নিত করার কাজ চলছে। অভিযানের সময় অস্ত্রধারী সন্ত্রাসী, চাঁদাবাজ, মাদক কারবারি, ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি এবং পলাতক অপরাধীদের গ্রেপ্তারে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হবে।

 

আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, কোনো ব্যক্তি বা গোষ্ঠী যদি সাধারণ মানুষ, ব্যবসায়ী বা শিল্পপ্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে চাঁদা দাবি করে কিংবা ভয়ভীতি প্রদর্শনের মাধ্যমে অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড পরিচালনা করে, তাহলে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। অভিযানের মাধ্যমে অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার, অপরাধী চক্রের নেটওয়ার্ক ভেঙে দেওয়া এবং সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড সম্পূর্ণরূপে নিয়ন্ত্রণে আনার লক্ষ্য নিয়ে কাজ করা হবে।

 

এছাড়া জনগণের সহযোগিতাকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে উল্লেখ করেছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা। তারা নাগরিকদের যেকোনো ধরনের সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি, মাদক ব্যবসা কিংবা সন্দেহজনক কার্যকলাপ সম্পর্কে দ্রুত আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে তথ্য দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন। তথ্যদাতার পরিচয় সর্বোচ্চ গোপন রাখা হবে বলেও আশ্বাস দেওয়া হয়েছে।

 

সংশ্লিষ্ট মহলের প্রত্যাশা, এই বিশেষ অভিযানের মাধ্যমে নারায়ণগঞ্জে সন্ত্রাস ও চাঁদাবাজির দৌরাত্ম্য উল্লেখযোগ্যভাবে কমে আসবে, ব্যবসা-বাণিজ্যের পরিবেশ আরও নিরাপদ হবে এবং সাধারণ মানুষের মধ্যে স্বস্তি ও নিরাপত্তাবোধ বৃদ্ধি পাবে। প্রশাসন জানিয়েছে, আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় ভবিষ্যতেও এ ধরনের অভিযান ধারাবাহিকভাবে পরিচালনা করা হবে এবং কোনো অপরাধীকেই ছাড় দেওয়া হবে না।