ফতুল্লায় ইমন হত্যা মামলার বাদীকে কুপিয়ে ও গুলি হত্যা চেষ্টা কিলার জাহিদ বাহিনীর 


Kamrul Islam Sohel প্রকাশের সময় : জুলাই ৭, ২০২৬, ১০:২০ অপরাহ্ন / ১০০০
ফতুল্লায় ইমন হত্যা মামলার বাদীকে কুপিয়ে ও গুলি হত্যা চেষ্টা কিলার জাহিদ বাহিনীর 

ফতুল্লায় ইমন হত্যা মামলার বাদীকে কুপিয়ে ও গুলি হত্যা চেষ্টা কিলার জাহিদ বাহিনীর

 

নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় আলোচিত ইমন হত্যা মামলার বাদী ও নিহতের বাবা ওমর খৈয়াম (৭০)-এর ওপর সশস্ত্র হামলা চালিয়েছে কিলার জাহিদ ও তার বাহিনী। এসময় তাকে কুপিয়ে মারাত্মকভাবে জখম করে হত্যায় ব্যর্থ হয়ে গুলি করে পালিয়েছে তারা। আহত ওমর খৈয়ামকে (৭০) আশঙ্কাজনক অবস্থায় শহরের খানপুর হাসপাতাল থেকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হানপাতালে পাঠানো হয়েছে।

 

মঙ্গলবার (৭ জুলাই) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে ফতুল্লার মাসদাইর কাজিবাড়ি এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

 

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, একটি মাদক মামলায় নারায়ণগঞ্জ কারাগার থেকে জামিনে মুক্তি পাওয়ার দেড় ঘন্টাপর গত ২৩ ফেব্রুয়ারী রাত ৯টায় মাসদাইর গুদারাঘাট এলাকায় ইমনকে কুপিয়ে হত্যা করে কিলার জাহিদ ও তার বাহিনীর লোকজন। এঘটনায় ইমনের বাবা ওমর খৈয়াম বাদী হয়ে জাহিদ ও তার বাহিনীর ফেরদৌস (২৮), ভুট্টা মাসুদ (৩০), গিট্টু রিপন (৩৫), রনি (৩২), আদর (২৪), আপন (২২),জসীম (৩৫),সেলিম (৩৫), পারভেজ (৩২), চক্ষু হৃদয় (২৫), সাবু (৩০), হোটেল মাসুদ (৩৫),হৃদয় (২৯), ফাইটার মনির (৩০), শাওন (৩২), রবিন (২৮), গলা কাটা হৃদয় (২৯), রিয়াজ (২৬), নূরা (৪০), সহ অজ্ঞাত নামা ৫/৬ জনের বিরুদ্ধে ফতুল্লা মডেল থানায় মামলা দায়ের করেন।

 

ইমনের পরিবারের দাবী এ মামলা দায়েরের পর থেকে জাহিদ প্রায় সময় ফোন করে ও নানা ভাবে লোকজনের মাধ্যমে জানাতেন দ্রুত মামলাটি প্রত্যাহার করার জন্য। তার হুমকিতে মামলা প্রত্যাহার না করায় কিলার জাহিদ বোরকা পড়ে তার বাহিনীর ৭/৮ জন মুখে মাক্স পড়ে বাসায় আসেন। এরপর জাহিদ বলেন কথা কানে যায়নি বলেই বৃদ্ধ বাবাকে কুপাতে থাকে। এসময় পরিবারের লোকজনের চিৎকার শুনে আশপাশের লোকজন এগিয়ে আসলে গুলি ছুড়তে ছুড়তে বাসা থেকে বের হয়ে যায়।

 

এলাকাবাসী জানান, জাহিদ চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ী। সম্প্রতি কয়টি হত্যা করার অভিযোগে তিনি কিলার জাগিদ নামে পরিচিতি পেয়েছেন। এছাড়া সম্প্রতি মাদক স্পটে অভিযান চালানোয় র্ ্যবের ৩জন সদস্যকে কুপিয়ে আহত করেন। এরআগে র ্যাবকে উদ্দেশ্য করে গুলি ছুড়ে জাহিদ। সেই গুলি লক্ষ্যবস্তু হয়ে এক নারীর শরীরে বিদ্ধ হয়। এছাড়া মাদক ব্যবসার অভিযোগে এক মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করায় পুলিশের এক এসাইকে ছুরিকাঘাত করে ছিনিয়ে নেয় জাহিদ ও তার লোকজন।

 

ফতুল্লা মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মাহবুব আলম জানান, জাহিদকে গ্রেফতারের জন্য দীর্ঘদিন যাবত চেষ্টা চলছে। সে বোরকা পড়ে কৌশলে চলা ফেরা করেন। এজন্য তাকে গ্রেফতার করা সম্ভব হচ্ছেনা। তার বিরুদ্ধে একাধীক মামলা রয়েছে।