
জেলা পরিষদকে জনমানুষের সেবায় নিয়োজিত করতজেলা পরিষদকে জনমানুষের সেবায় নিয়োজিত করতে চাই: মামুন মাহমুদ
নারায়ণগঞ্জ জেলা পরিষদের নব্য নিয়োগপ্রাপ্ত প্রশাসক অধ্যাপক মামুন মাহমুদ বলেছেন, “জেলা পরিষদকে আমি জনমানুষের সেবায় নিয়োজিত একটি প্রতিষ্ঠানে পরিণত করতে চাই। এই প্রতিষ্ঠান হবে জনবান্ধব প্রতিষ্ঠান। শুধু ফতুল্লা নয় সমগ্র নারায়ণগঞ্জের যতগুলো ইউনিয়ন, ওয়ার্ড, গ্রাম, পিছিয়ে পড়া জায়গা রয়েছে, যেখানে বৈষম্যের শিকার হয়েছে, উন্নয়নের ছোঁয়া পড়ে নাই সেই সমস্ত জায়গা আমি খুঁজে বের করব। অবকাঠামো উন্নয়ন থেকে শুরু করে, সেখানকার সেবামূলক প্রতিষ্ঠান স্কুল, কলেজ, মসজিদ, মাদ্রাসার উন্নয়নে কাজ করব। সেই পরিকল্পনা নিয়েই আমি এখানে বসেছি।”
সোমবার (১৬ মার্চ) দুপুরে জেলা পরিষদের দায়িত্ব পালনের সময় গণমাধ্যমকে তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি আরও বলেন, “অতীতে আমরা দেখেছি, সর্বক্ষেত্রে বৈষম্য। বিগত সরকারের সময়ে দেখেছি, জোর যার মূল্লুক তার। সেরকম একটি রাজত্ব চলেছে। সুতরাং সেই রাজত্বের অবসান ঘটেছে। ২৪ পরবর্তী সময়ে বৈষম্যমুক্ত বাংলাদেশে মানুষের য আকাক্সক্ষা, সেই আকাক্সক্ষা পূরণে জেলা পরিষদ কাজ করবে। জেলা পরিষদের যে কর্মপরিধি রয়েছে, সেই কর্মপরিধির মধ্যে নারায়ণগঞ্জের মানুষের সেবা করার জন্য যতটুকু শক্তি প্রয়োজন সেই সর্বোচ্চ শক্তি দিয়ে মানুষের দুর্ভোগ, দুঃখ, দুর্দশা সর্বক্ষেত্রে সুখে দুঃখে মানুষের পাশে থাকবে। সম্পূর্ণ ন্যায়বিচার সততার ভিত্তিতে জেলা পরিষদ এবং তার কার্যক্রম, পরিধি, ব্যাপ্তি সকল কিছু মানুষের দৃষ্টিতে নিয়ে আসার চেষ্টা আমি করব।”
মানুষ জেলা পরিষদ সম্পর্কে ধারণা রাখে না মন্তব্য করে তিনি বলেন, “জেলা পরিষদের প্রশাসক হিসেবে নিয়োগ পাওয়ার পর অনেকেই জানতে চেয়েছে, এইটার কার্যক্রম কি? তার মানে জেলা পরিষদ আসলে কি কাজ করে সেটা মানুষের কাছে পরিষ্কার না। অন্যান্য সংস্থাগুলোর কথা মানুষ জানে, উপজেলা, ইউনিয়ন পরিষদের কাজ, কার্যপরিধি, চেয়ারম্যানের ভূমিকা কি সেগুলো সম্পর্কে মানুষ খুব ভালোই জার চেয়ারম্যান সম্পর্কেও মানুষের ধারণা আছে। জেলা পরিষদের কাজ কি সেটি কিন্তু সাধারণ মানুষ এখনো অতোটা স্পষ্টভাবে জানে না। আসলে এই প্রতিষ্ঠানটাকে জনমানুষের দোরঘোড়ায় নিয়ে যেতে পারে নাই বলেই মানুষ জেলা পরিষদ সম্পর্কে স্বচ্ছ ধারণা রাখে না। জেলা পরিষদকে একটা সেবামূলক প্রতিষ্ঠান। সরকারের এই প্রতিষ্ঠানটাকে জনগণের দোরগোড়ায়, তৃণমূলে পৌঁছে দিতে হবে। সেই ভিশন নিয়ে আমি কাজ করব। এজন্য তিসি সকলের সহযোগিদ কামনা করেন।”
এক প্রশ্নের উত্তরে মামুন মাহমুদ বলেন, “আমি আমার ৪৩ বছরের আমার রাজনৈতিক জীবনে আমি তিনবার বিএনপিকে রাষ্ট্র ক্ষমতায় দেখেছি। কিন্তু আমার নেতাকর্মীরা কখনোই আমার ভাবমূর্তি নষ্ট করে নাই। আমার নেতাকর্মীরা খুবই অনুসরণ করে আমাকে এবং দলের নির্দেশ অনুসরণ করে। দেশের প্রধানমন্ত্রী এবং দলেরও প্রধান তিনি যেভাবে নির্দেশনা দিয়ে যাচ্ছেন আমরা আমরা নেতাকর্মীরা কিন্তু সেভাবেই আমাদের পথ সুতরাং আমি কোন দায়িত্ব পালন করছি এটার ক্ষমতা কতটুকু এটা নেতাকর্মীদের কাছে মুখ্য বিষয় নয়। আমার ভাবভুক্তি ধরে রাখাই নেতাকর্মীদের কাছে মুখ্য বিষয়। কারণ আমি তাদের দ্বারাই সৃষ্টি হয়েছি সুতরাং আমাকে বাঁচিয়ে রাখা, ধরে রাখা, আমার সম্মান ধরে রাখাই নেতাকর্মীদের মূল লক্ষ্য হতে হবে এবং তাই হচ্ছে।”
আপনার মতামত লিখুন :