স্বাস্থ্য বিভাগ ও জেলা প্রশাসন কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে কাজ করছে : জেলা প্রশাসক


Kamrul Islam Sohel প্রকাশের সময় : অক্টোবর ৩০, ২০২৫, ৯:১৯ অপরাহ্ন / ১০০০
স্বাস্থ্য বিভাগ ও জেলা প্রশাসন কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে কাজ করছে : জেলা প্রশাসক

 

 

নারায়নগঞ্জ নিউজ এক্সপ্রেস :
নারায়ণগঞ্জের খানপুরে অবস্থিত ৩০০ শয্যার নারায়ণগঞ্জ হাসপাতালে দীর্ঘদিন ধরেই অভিযোগ ছিল হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ চিকিৎসা না দিয়ে বহু রোগীকে অন্য হাসপাতালে রেফার করে দেন। অপরদিকে, হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের দাবি কিডনি, ব্রেইন স্ট্রোক ও হৃদরোগে আক্রান্ত গুরুতর রোগীদের জীবন বাঁচাতে বাধ্য হয়েই রেফার করা হয়।

বৃহস্পতিবার (৩০ অক্টোবর) তিনি খানপুর ৩০০ শয্যা হাসপাতালে একটি আধুনিক হাসপাতাল ম্যানেজমেন্ট সফটওয়্যার চালুর পাশাপাশি তিনটি ডিজিটাল ডিসপ্লে বোর্ড স্থাপন করেন।

হাসপাতালের তিনটি গুরুত্বপূর্ণ স্থানে বসানো এই বোর্ডগুলোতে প্রতিদিনের হালনাগাদ তথ্য স্বয়ংক্রিয়ভাবে প্রদর্শিত হবে কতজন রোগী ভর্তি আছেন, কতজন রিলিজ পেয়েছেন, এবং কোন কারণে কতজন রোগীকে রেফার করা হয়েছে।

জেলা প্রশাসনের এই প্রযুক্তিনির্ভর উদ্যোগে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ ও সাধারণ রোগীদের মধ্যে দীর্ঘদিনের আস্থাহীনতা ও ভুল বোঝাবুঝির অবসান ঘটবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

জেলা প্রশাসক জাহিদুল ইসলাম মিঞা বলেন, আমাদের কাছে বারবার অভিযোগ এসেছে রোগীরা চিকিৎসা নিতে এলে তাদের অন্য হাসপাতালে রেফার করে দেওয়া হয়। কিন্তু আমরা যখন হাসপাতালে ভিজিট করি, দেখি প্রতিটি বেডে রোগী চিকিৎসা নিচ্ছেন। গত মাসে প্রায় ৬৫ হাজার রোগীকে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, তাহলে প্রশ্ন হলো কেউ বলছে হাসপাতালে গেলেই রেফার করা হয়, আবার কেউ বলছে সেবা দেওয়া হচ্ছে। আসল চিত্রটা কী? আমরা সেটিই জনসমক্ষে আনতে চেয়েছি। এই সফটওয়্যারের মাধ্যমে প্রতিদিনের তথ্য সবাই দেখতে পারবেন কতজন ভর্তি হয়েছেন, কতজন রেফার হয়েছেন, কেন রেফার করা হয়েছে, কতজন অপারেশনে গেছেন এবং কতটি অপারেশন সম্পন্ন হয়েছে।

হাসপাতালের বিভিন্ন সমস্যা সমাধানে নেওয়া পদক্ষেপের কথা উল্লেখ করে তিনি আরও জানান, খুব শিগগিরই হাসপাতালের সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ৩০ জন আনসার সদস্য নিয়োজিত করা হবে। স্বাস্থ্য বিভাগ ও জেলা প্রশাসন কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে কাজ করছে।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন সিভিল সার্জন ডা. এ. এফ. এম. মুশিউর রহমান, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মোহাম্মদ আলমগীর হোসাইন, হাসপাতালের বিভিন্ন বিভাগের চিকিৎসক ও অন্যান্য ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।