প্রকাশিত:
২ নভেম্বার ২০২৬, ১৪:২৫
ফতুল্লা শ্রমিক লীগের সেক্রেটারি , ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি দুই ভাই গ্রেফতার
কার্যক্রম নিষিদ্ধ ফতুল্লা থানা শাখার শ্রমিক লীগের সাধারন সম্পাদক হুমায়ুন কবির(৫৫) ও তার বড় ভাই ফতুল্লা ইউনিয়ন বৃহত্তর ১,২ ও ৩ নং ওয়ার্ড আওয়ামীলীগের সভাপতি হাবিবুর রহমান (৬০) কে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
রোবাবার (১ নভেম্বর) দিবাগত রাত দেড়টার দিকে তাদের ফতুল্লা মডেল থানার দাপা ইদ্রাকপুর বেপাড়ীপাড়াস্থ নিজ বাড়ী থেকে গ্রেফতার করে পুলিশ।
পুলিশ জানায়,গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জেলা পুলিশ সুপার হাবিবুর রহমান(পিপিএম)’এর নির্দেশনায় ফতুল্লা মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মাহাবুব আলমের নেতৃত্বে থানা পুলিশের একাধিক টিম দাপা বেপারীপাড়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে নিজ বাড়ী থেকে সহোদর দুই ভাই হুমায়ুন কবির ও হাবিবুর রহমান কে গ্রেফতার করে। গ্রেফতারকৃত হুমায়ুন কবির থানা শ্রমিক লীগের সাধারন সম্পাদক ও তার বড় ভাই হাবিবুর রহমান ফতুল্লা ইউনিয়ন ১,২ ও ৩ নং ওয়ার্ড আওয়ামীলীগের সভাপতি।
একাধিক সূত্রে জানা যায়, গ্রেফতারকৃত হুৃমায়ুন কবির কেন্দ্রীয় শ্রমিক লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক কাউছার আহম্মেদ পলাশের অন্যতম আস্থাভাজন।অপরদিকে বড় ভাই হাবিবুর রহমান বিদেশে অবস্থানরত সাবেক সাংসদ শামীম ওসমানের অনুসারী ছিলেন। সূত্র মতে,ছাত্র জনতার আন্দোলনের মুখে ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট শেখ হাসিনার দেশত্যাগের মাধ্যমে পতন হয় আওয়ামীলীগ সরকারের। সেই সাথে তৃণমূল পর্যায় থেকে শুরু করে দলটির শির্ষ মন্ত্রী, এমপি নেতারা পর্যন্ত আত্নগোপন কর। কিন্ত এই দুই ভাই নিজ বাড়ীতেই অবস্থান করছিলেন। তবে প্রথম কয়েকদিন বাড়ী থেকে বের হতেন না। কয়েক দিন যেতে না যেতেই প্রকাশ্যে আসতে শুরু করেন। হুমায়ুন কবির প্রতিদিন পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের গেইট সংলগ্ন একটি দোকানে দিন এবং রাতে দুই দফায় গড়ে ৭ থেকে ৮ ঘন্টা বসে থাকতে। অপরদিকে হাবিবুর রহমান প্রকাশ্যে চলাফেরা করতো।
বিষয়টি নিশ্চিত করে ফতুল্লা মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি)মাহাবুব আলম জানান,গ্রেফতারকৃত হুমায়ুন কবিরের বিরুদ্ধে নাশকতা ও সন্ত্রাস বিরোধী আইনে মাৃমলা সহ বৈষম্য বিরোধী একাধিক মামলা রয়েছে। অপরদিকে হাবিবুর রহমানের বিরুদ্ধও বৈষম্য এবং সন্ত্রাস বিরোধী আইনে মামলা রয়েছে।
মন্তব্য করুন: