
নারায়নগঞ্জ নিউজ এক্সপ্রেস :
ইটভাটায় বিপন্ন বন্দরের পরিবেশ, সরকারি ও অন্যোর জমি জোরপূর্বক কাটার অভিযোগ সংবাদ প্রকাশিত হয়। সংবাদ প্রকাশ হওয়ার পর সোমবার বিকালে অভিযান চালায় উপজেলা প্রশাসন। অন্যের জমি, কৃষি, সরকারি খাস জমির মাটি বেকু দিয়ে কেটে বিক্রির অভিযোগে অভিযান চালিয়েছে উপজেলা প্রশাসন। বন্দর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) রহিমা আক্তার ইতি’র নের্তৃত্বে অভিযান চালানো হয়। সোমবার বিকালে সহকারী কমিশনার (ভূমি) রহিমা আক্তার ইতির নের্তৃত্বে অভিযান চালালেও কাউকে পাওয়া যায়নি। কাউকে না পাওয়া যাওয়ায় মোবাইল কোর্ট দেওয়া যায়নি। পুনরায় আবার অভিযান চালানো হবে বলে জানান নির্বাহী কর্মকর্তা শিবলী সরকার।
সূত্র মতে, দেশের প্রায় ৪শ’ ৯৬ টি উপজেলার মধ্যে সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ বন্দর উপজেলা। এ উপজেলায় মানুষের বসবাসের তুলনায় ছোট -বড় শিল্প প্রতিষ্ঠানের বর্জ্য, বিষাক্ত ধোঁয়া, কৃষি জমির , সরকারি খাসের মাটি কেটে বসবাসের অযোগ্য হয়ে পড়ছে। বন্দর উপজেলার ৫ টি ইউনিয়নের মধ্যে ৩ টি ইউনিয়ন অবৈধ ইটভাটার ধোঁয়ায় বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে পরিবেশ। ইটভাটার ধোঁয়া আশপাশের গাছপালা, ফসল ও বাড়িঘরের ওপর বিরূপ প্রভাব ফেলছে। ফলে মারাত্মক স্বাস্থ্যঝুঁকিতে পড়েছেন স্থানীয় বাসিন্দাসহ আশপাশের স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীরা। বছরের পর বছর ইটভাটার মাটি কেটে কৃষি জমি বিলুপ্ত প্রায়। অন্যের মালিকানাধীন জমি, সরকারি খাস জমির মাটি একটি সেন্ডিকেট করে দিন-রাত ২৪ ঘন্টায় বেকু লাগিয়ে ড্রামট্র্যাক দিয়ে বিভিন্ন ইটখোলায় বিক্রি করছে। জোরপূর্বক মাটি কাটার অভিযোগ রয়েছে। একাধিক দপ্তরে স্মারকলিপি ও বন্দর থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেও কোন সুরহা পায়নি।
তবে বন্দর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বিষয়টি আমলে নিয়ে তদন্ত সাপেক্ষে যথাযথ আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সোমবার অভিযান চালিয়ে কাউকে পাওয়া যায়নি।
আপনার মতামত লিখুন :