বন্দরে অপকর্ম ঢাকতে এসআই মনিরের ‘সাধু’ সাজার চেষ্টা, ক্ষুব্ধ সচেতন মহল


Kamrul Islam Sohel প্রকাশের সময় : জুন ৮, ২০২৬, ৮:১০ অপরাহ্ন / ১০০০
বন্দরে অপকর্ম ঢাকতে এসআই মনিরের ‘সাধু’ সাজার চেষ্টা, ক্ষুব্ধ সচেতন মহল

বন্দরে অপকর্ম ঢাকতে এসআই মনিরের ‘সাধু’ সাজার চেষ্টা, ক্ষুব্ধ সচেতন মহল

বন্দরে “পুলিশের শেল্টারে ৫০ মাদক স্পটে রমরমা ব্যবসা” শিরোনামে সংবাদটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ও বিভিন্ন অনলাইন পোর্টালে ভাইরাল হওয়ার পর নড়েচড়ে বসেছে প্রশাসন। ফেসবুকসহ বিভিন্ন মাধ্যমে নেটিজেনরা পুলিশের ভাবমূর্তি ও ভূমিকা নিয়ে তীব্র প্রশ্ন তুলছেন। তবে এই পরিস্থিতিতে নিজের অপকর্ম ঢাকতে এবং “শাক দিয়ে মাছ ঢাকতে” মরিয়া হয়ে উঠেছেন বন্দর থানার সেকেন্ড অফিসার এসআই মনির হোসেন। কতিপয় গণমাধ্যম ও ফেসবুক পেজে মোটা অঙ্কের বিনিময়ে তার পক্ষে সাফাই গেয়ে ‘ভিত্তিহীন’ দাবির প্রতিবাদ লিপি ও চাটুকারিতাপূর্ণ নিউজ করানোর অভিযোগ উঠেছে।

এ বিষয়ে এলাকার সচেতন মহল ক্ষোভ প্রকাশ করে জানান, বন্দর থানার এসআই মনির নিজেকে থানার ওসি কিংবা কোনো ‘সুপ্রিম পাওয়ারের’ লোক বলে মনে করেন। তার ছত্রছায়ায় ও নেতৃত্বে থানার কতিপয় অসাধু কর্মকর্তা মাদক কারবারিদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা না নিয়ে উল্টো স্পটগুলো থেকে নিয়মিত মাসোহারা ও অর্থনৈতিক সুবিধা গ্রহণ করছেন। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক ব্যক্তি জানান, যে কয়েকজন অফিসারের বিরুদ্ধে মাদক সংশ্লিষ্টতার অভিযোগ এসেছে তা শতভাগ সত্য। মূলত দায়িত্বশীল পুলিশিং না থাকায় এলাকার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি পুরোপুরি ভেঙে পড়েছে।

​”একটি থানায় যখন জবাবদিহিতা থাকে না, তখন অপরাধীরাই পুলিশের আশ্রয় পায়। বন্দরের বর্তমান মাদক পরিস্থিতি তারই প্রমাণ।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে বন্দর থানারই এক পুলিশ সদস্য ভেতরের বিস্ফোরক তথ্য ফাঁস করে বলেন, “বর্তমানে বন্দর থানার সবকিছুই মনির স্যারের ইশারায় চলে। অনেক রাজনৈতিক নেতা ও প্রভাবশালী ব্যক্তিরা দামি প্রাইভেটকার যোগে থানায় এসে সরাসরি মনির স্যারের সাথে গোপন বৈঠক করেন। যাওয়ার সময় তারা ভারী ও স্বাস্থ্যবান খাম (মোটা অঙ্কের টাকা) দিয়ে যান।

স্থানীয়দের দাবি, লোক দেখানো প্রতিবাদ কিংবা চাটুকারিতার নিউজ প্রকাশ করে এসআই মনির নিজেকে যতই ‘সাধু’ সাজানোর চেষ্টা করুন না কেন, তার মাদক সিন্ডিকেটের বিষয়টি এখন ওপেন সিক্রেট। মাদকের মরণব্যাধি থেকে বন্দর এলাকাকে রক্ষা করতে এবং পুলিশের ভাবমূর্তি ফিরিয়ে আনতে এসআই মনিরসহ অভিযুক্ত পুলিশ কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে দ্রুত বিভাগীয় তদন্ত ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগী এলাকাবাসী।