বন্দরে ডেভিল হান্ট অভিযানে সাবেক মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান ও যুবলীগ কর্মীসহ বিভিন্ন অপরাধে ১১ জন গ্রেপ্তার


Kamrul Islam Sohel প্রকাশের সময় : সেপ্টেম্বর ২৮, ২০২৫, ৯:০৬ অপরাহ্ন / ১০০০
বন্দরে ডেভিল হান্ট অভিযানে সাবেক মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান ও যুবলীগ কর্মীসহ বিভিন্ন অপরাধে ১১ জন গ্রেপ্তার

নারায়নগঞ্জ নিউজ এক্সপ্রেস :
বন্দরে অপরেশন ডেভিল হান্ট অভিযানে বৈষম্য বিরোধী আন্দোলনে ছাত্রদের উপর সন্ত্রাসী হামলার ঘটনায় জড়িত থাকার অপরাধে বন্দর উপজেলা পরিষদের সাবেক মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান ও মহিলা আ’লীগের সভানেত্রীসহ ৩ জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গ্রেপ্তারকৃতরা হলো ফরাজিকান্দা এলাকার শাহাদাত হোসেনের স্ত্রী বন্দর উপজেলা পরিষদের সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান ও বন্দর উপজেলা মহিলা আওয়ামীলীগের সভাপতি এবং উপজেলা আওয়ামীলীগের সদস্য সালিমা হোসেন শান্তা (৫০) একই এলাকার আব্দুল কাদিরের ছেলে যুবলীগ কর্মী আব্দুল মোত্তাধীর অনিক(৩৬) ও বন্দর রেলী বাগন এলাকার আনোয়ার মিয়ার ছেলে যুবলীগ কর্মী মুন্না(৪০) ।

রোববার (২৮সেপ্টেম্বর) দুপুরে বৈষম্য বিরোধী ১৪ (৮) ২৪ ও ১১(৯) ২৫ নং পৃথক মামলায় এদেরকে আদালতে প্রেরন করা হয়।এর আগে গত শনিবার (২৭ সেপ্টেম্বর) রাতে বন্দর থানার পৃথক স্থানে অভিযান চালিয়ে এদের গ্রেপ্তার করা।

থানার তথ্য সূত্রে জানা গেছে, গত ২০২৪ ইং সালের জুলাই মাসে বৈষম্য বিরোধী আন্দোলন চলাকালে বন্দর শাহীমসজিদ চরমুনাই সমর্থক এক কর্মীর গ্যারেজে আ’লীগ ও যুবলীগ নেতারা সন্ত্রাসী হামলা চালানোর ঘটনার মামলায় বন্দর উপজেলা সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান ও মহিলা আ’লীগের সভানেত্রী সালিমা হোসেন শান্তার সম্পৃক্ততা থাকার অপরাধে তাকে গত শনিবার রাতে তার ফরাজিকান্দা নিজ বাড়ি থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। অপরদিকে গত ২০২৪ সালে আগষ্টের প্রথমদিকে বন্দর খেয়াঘাটে আন্দোলনরত ছাত্রদের উপর আ’লীগ ও যুবলীগ নেতারা সন্ত্রাসী হামলা চালায়। বৈষম্য বিরোধী আন্দোলনে ছাত্রদের উপর সন্ত্রাসী হামলা জড়িত থাকার অপরাধে বন্দর উপজেলা এলাকার যুবলীগ কর্মী অনিক ও মুন্নার সম্পৃক্ততা থাকার অপরাধে রেলীবাগান ও ফরাজিকান্দা এলাকা থেকে এদেরকে গ্রেপ্তার করে আদালতে পাঠানো হয়।

অপর দিকে মাদক বিরোধী অভিযান চালিয়ে ১শ গ্রাম গাঁজাসহ ৩ মাদক কারবারিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।গ্রেপ্তারকৃতরা হলো,বন্দর থানার ২২নং ওয়ার্ড লেজারার্স আবাসিক এলাকার মৃত সামসুদ্দিন মিয়ার ছেলে পায়েল খান(৫০),২৩নং ওয়ার্ডের একরামপুর এলাকার মাদক সম্রাট হাবিবুর রহমান হবির ছেলে বাবু(৩০) ও ২২নং ওয়ার্ড বন্দর বাজার এলাকার মৃত কেবল চান বর্মনের ছেলে মরন চান বর্মন (৪৮)। মাদক উদ্ধারের ঘটনায় থানার উপ পরিদর্শক মোতালিব বাদী হয়ে ধৃত মাদক ব্যবসায়ীদের বিরোদ্ধে সংশ্লিষ্ট থানায় মাদক আইনে মামলা রুজু করা হয়েছে। যার নং ৩৬(৯)২৫ইং।
ধৃতদের গত রোববার (২৮ সেপ্টেম্বর) দুপুরে উল্লেখিত মাদক মামলা আদালতে প্রেরণ করেছে পুলিশ।
এর আগে গত শনিবার (২৭ সেপ্টেম্বর) বিকেলে বন্দর থানার ২২নং ওয়ার্ড লেজারার্স আবাসিক এলাকা থেকে এদেরকে গ্রেপ্তার করা হয়।

থানার তথ্য সূত্রে জানা গেছে,গত ২৮ সেপ্টেম্বর ভোরে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বন্দর থানার এসআই মোতালিবসহ সঙ্গীয় ফোর্স বন্দর লেসারার্স আবাসিক এলাকায় মাদক বিরোধী অভিযান চালায়। অভিযান চলাকালে ২২নং ওয়ার্ডস্থ লেজারার্স আবাসিক এলাকা ৬নং গলি লালন চানের দুচালা টিনের ঘরের পরিত্যক্ত রুমে মাদক ব্যবসায়ীরা গাজাসহ বিভিন্ন রকমের মাদকদ্রব্য রাখিয়া ক্রয় বিক্রয় করার জন্য অবস্থান করছিল। পুলিশের উপস্থিতি টের পাইয়া পালানোর সময় মাদক ব্যবসায়ী পায়েল,বাবু ও মরনচাদ বর্মনকে পুলিশ আটক করতে সক্ষম হয়। এ সময় ধৃত মাদক ব্যবসায়ীদের দেহ তল্লাশী করে ১শ গ্রাম গাঁজা উদ্ধার করা হয়।