
বদলির আদেশ হলেও ফ্যাসিস্ট সরকারের আমলে আলোচিত ওসি মুহিবুল্লার আগের রূপের ফন্দিফিকির !
বদলি হলেও প্রশাসনিক কৌশল আর ছলচাতুরী রূপায়ণে ব্যস্ত নারায়নগঞ্জের সোনারগাঁও থানার সম্প্রতি বদলির আদরপ্রাপ্ত বিতর্কিত ওসি মুহিবিল্লাহ। ঠিক যেন রাজনৈতিক নেতাদের মতো নানান অজুহাতে এখনো চেয়ার দখল করে রেখেছে।ফ্যাসিস্ট আওয়ামী সরকারের আমলে বিভিন্ন থানাধীন বিএনপি নেতাকর্মী এবং বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনে ছাত্র জনতার ওপর নির্যাতনকারী পুলিশ কর্মকর্তার কর্মকাণ্ডে সোনারগাঁও জুড়ে চলছে সমালোচনার ঝড়।সাধারণ থানার ওসি বদলি হলে যোগদানকারী নতুন ওসিকে দায়িত্ব বুঝিয়ে দেয়।পারিবারিক কোন সমস্যা থাকলে ওই এলাকায় পরিবার নিয়ে ভাড়া থাকতে পারেন এবং অন্য থানায় যোগদান করতে পারেন।এটাই প্রশাসনিক নিয়ম।কিন্তুু অন্য কোন অজুহাতে নতুন যোগদানকারী ওসিকে দায়িত্ব বুঝিয়ে না দেয়ার নজির সোনারগাঁও থানায় প্রথম ঘটলো।জানা গেছে, মুহিবুল্লার এহেন ঘটনা নতুন নয়। বিভিন্ন থানা থেকে বদলি হলে নানান অজুহাতে ছলচাতুরীর আশ্রয় নিতেন।
প্রশাসনিক সূত্রে জানা গেছে, গত শুক্রবার (১ মে) প্রশাসনিক সিদ্ধান্তের অংশ হিসেবে ওসি মুহিবুল্লাহকে বদলির নির্দেশ দেওয়া হয়। নিয়ম অনুযায়ী দ্রুত দায়িত্ব হস্তান্তরের কথা থাকলেও দুই দিন পেরিয়ে গেলেও তা কার্যকর হয়নি। এতে থানার কার্যক্রমে স্থবিরতা দেখা দিয়েছে।
এদিকে নতুন দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা গোলাম সারোয়ার সোনারগাঁ থানায় যোগদানের অপেক্ষায় থাকলেও এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে দায়িত্ব বুঝে পাননি। ফলে থানার প্রশাসনিক কার্যক্রম এখনো বর্তমান ওসির তত্ত্বাবধানে পরিচালিত হচ্ছে।যা নিয়ে পুরো সোনারগাঁও জুড়ে চলছে আলোচনা সমালোচনার ঝড়।
জানা যায়, ৫ আগস্টের আগে পরে প্রভাবশালী ওসি হিসেবে পরিচিত ওসি। মুহিবুল্লাহ সোনারগাঁ থানায় থাকতে জোর লবিং করছেন।
বিষয়টি নিয়ে নারায়ণগঞ্জ জেলা পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অপরাধ) তারেক আল মেহেদী জানান, ওসি মুহিবুল্লাহর পারিবারিক একটি বিষয় রয়েছে। তার ছেলে চলতি বছর এসএসসি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করছে। এ কারণে তিনি কিছুদিন সময় চেয়েছেন দায়িত্ব হস্তান্তরের জন্য।অন্যদিকে সোনারগাঁওের বিএনপির এক শীর্ষ নেতা জানান,ছেলে এসএসি পরীক্ষা দেয়ার সাথে ওসিকে চেয়ার বসে থাকার কোন যুক্তি নেই।তিনি বাসা ভাড়া নিয়ে অন্যত্র থাকতে পারেন।বদলি ঠেকাতে এটা তার আতীতের কৌশল।
আপনার মতামত লিখুন :