জুলাই সনদ স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে না যেতে শেষ মুহূর্তেও অনড় এনসিপি


Kamrul Islam Sohel প্রকাশের সময় : অক্টোবর ১৭, ২০২৫, ৫:০৬ অপরাহ্ন / ১০০০
জুলাই সনদ স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে না যেতে শেষ মুহূর্তেও অনড় এনসিপি

আর অল্প কিছুক্ষণের অপেক্ষা। জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় শুরু হতে যাচ্ছে জুলাই জাতীয় সনদ স্বাক্ষর অনুষ্ঠান। তবে শেষ মুহূর্তেও সে অনুষ্ঠানে না যেতে অনড় জুলাই যোদ্ধাদের গঠিত নতুন রাজনৈতিক দল জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)।

img/logo

জুলাই সনদ স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে না যেতে শেষ মুহূর্তেও অনড় এনসিপি

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ১৭ অক্টোবর ২০২৫, ০৪:১২ পিএম

শেয়ার করুন:

65Shares
facebook sharing button
twitter sharing button
whatsapp sharing button
NCP
জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) কয়েকজন শীর্ষ নেতা। ছবি- সংগৃহীত
আর অল্প কিছুক্ষণের অপেক্ষা। জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় শুরু হতে যাচ্ছে জুলাই জাতীয় সনদ স্বাক্ষর অনুষ্ঠান। তবে শেষ মুহূর্তেও সে অনুষ্ঠানে না যেতে অনড় জুলাই যোদ্ধাদের গঠিত নতুন রাজনৈতিক দল জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)।

দলটি থেকে আগেই জানানো হয়েছিল, তিন দফা দাবি মেনে না নিলে তারা জুলাই সনদ স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে অংশ নেবে না। তবু শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত এনসিপিকে স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে আনার চেষ্টা করেছিল সরকার ও জাতীয় ঐকমত্য কমিশন।

কিন্তু তাতে খুব একটা লাভ হয়নি। শেষ মুহূর্তেও নিজেদের অবস্থানে অনড় থাকার কথা জানিয়েছেন দলটির নেতারা।

এ বিষয়ে এনসিপির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক ও রাজনৈতিক লিয়াঁজো কমিটির প্রধান আরিফুল ইসলাম আদীব বলেছেন, ‘এর আগে আমরা দেখেছি, সরকার বিএনপির মতামতকে প্রাধান্য দিয়ে একপাক্ষিক জুলাই ঘোষণাপত্র দিয়েছিল। ফলে জুলাই সনদ বাস্তবায়ন আদেশও একইরকম একপাক্ষিক ও পক্ষপাতিত্বমূলক করার দিকে এগিয়ে যাচ্ছে। ফলে সুস্পষ্ট দাবি আদায় না হলে স্বাক্ষর করবে না এনসিপি।’

এদিকে ঢাকার সংসদ ভবন এলাকায় জুলাই সনদ স্বাক্ষর অনুষ্ঠানের মঞ্চের সামনে জুলাই সনদ সংশোধন, সনদকে স্থায়ীভাবে সংবিধানে অন্তর্ভূক্ত এবং জুলাই যোদ্ধাদের স্বীকৃতি- এই তিন দফা দাবিতে অবস্থান নেন জুলাই যোদ্ধারা।

দাবি মেনে নিয়ে অতিথিদের জন্য বরাদ্দ আসন ছেড়ে তাদের চলে যাওয়ার অনুরোধ করলেও সরেননি তারা। পরে তাদের তুলে দিতে গেলে জুলাই যোদ্ধা ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটে।

এসময় টিয়ারশেল ও সাউন্ডগ্রেনেড ছোঁড়ে পুলিশ। এদিকে কয়েকটি গাড়িতে ভাঙচুর করে আগুন ধরিয়ে দেন বিক্ষোভকারীরা। পরে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে সেনাবাহিনীও।

বর্তমানে জাতীয় সংষদ সংলগ্ন খামারবাড়ি এলাকার পরিস্থিতি আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর নিয়ন্ত্রণে। জুলাই যোদ্ধারা ছত্রভঙ্গ হয়ে এদিক-ওদিক চলে গেছেন। ফলে ওই এলাকা দিয়ে যানবাহন চলাচল এখন স্বাভাবিক রয়েছে।