
নারায়নগঞ্জ নিউজ এক্সপ্রেস :
মদনপুর ইউনিয়ন বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা সভাপতির জানাজায় দীর্ঘদিন পর সাবেক ৩ জনপ্রতিনিধি। নারায়নগঞ্জ-৫ আসনের ৩ বারের সাবেক এমপি এড. আলহাজ্ব আবুল কালাম, সতত্ব প্রার্থী আলহাজ্ব মাকসুদ হোসেন ও সাবেক উপজেলা ২ বারের চেয়ারম্যান আলহাজ্ব আতাউর রহমান মুকুল। আবুল কালাম ও আতাউর রহমান মুকুলের পারিবারিক বিরোধকে রাজনৈতিক ইউটান নেয়। রাজনৈতিক বৌদ্ধদের মতে, ৩ বারের সাবেক সাংসদ এড.আবুল কালাম ও চেয়ারম্যান আতাউর রহমান মুকুল সর্ম্পকের চাচাতো ভাই। সেই পরিচয়ে বিশাল অর্থ বিত্তের মালিক বনে যান। আর এড. আবুল কালাম নির্বাচন করতে গিয়ে পৈতৃক ভিটা-জায়গা জমি বিক্রি করতে হয়েছে। বিগত স্বৈরাচারী সরকারের অনেক আগে থেকেই ওসমান পরিবারের সাথে গোপন সর্ম্পক ছিলেন। চাচাতো ভাই হয়ে ওসমান পরিবারের সাথে গোপন সখ্যতার কারনে এড. আবুল কালামের মত ক্লিনম্যানকে টানা নমিনেশন দেননি। ওসমান পরিবারের উপর সয়ং খালেদা জিয়ার পরিবারের বিশাল ক্ষোভ রয়েছে। যার প্রমান নারায়নগঞ্জ সিটি করপোরেশন ১ম নির্বাচনেই। তারপরও সেই চাচাতো ভাইয়ে পরিচিত আতাউর রহমান মুকুল ওসমান পরিবারের দোসর ও মাথায় হাত বিষয়টি কেন্দ্রীয় নীতি নির্ধারকরা আমলে নেই। দেশের ক্লিনম্যানখ্যাত সাবেক সাংসদ এড আবুল কালামের মত সচ্ছ নেতাকে কেন নমিনেশন দেননি৷ যার সমিকরন কষতে শুরু করেছে রাজনৈতিক বৌদ্ধারা। তবে সাবেক চেয়ারম্যান আলহাজ্ব আতাউর রহমান মুকুল সাবেক সাংসদ এড আবুল কালামের কেমন চাচাতো ভাই। এক চাচাতো ভাই সচ্ছ রাজনীতিবীধ আবুল কালামের পরিবারের রাজনীতি রাজনীতিতে শেষ পেরেকটি মারবেন।
উল্লেখ যে, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানকে মদনপুরে আনার মূল উদ্যোক্তা, বিএনপির বর্ষিয়াণ নেতা, মদনপুর ইউনিয়ন বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ও মদনপুর ইউনিয়নের ছোট সাহেব বাড়ির বাসিন্দা মোবারক হোসেন ভূঁইয়ার জানাযা নামাজে অংশগ্রহণ করেছেন নারায়ণগঞ্জ-৫ আসনের সাবেক এমপি এড. আবুল কালাম, এমপি প্রার্থী ও বন্দর উপজেলা পরিষদের সদ্য সাবেক চেয়ারম্যান মোঃ মাকসুদ হোসেন এবং বন্দর উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান আতাউর রহমান মুকুলসহ বিশিষ্টজন ও বিভিন্ন শ্রেণির মানুষ । এসময় মরহুমের পরিবারবর্গ, আত্মীয়স্বজন, গুণগ্রাহী ও বিপুল সংখ্যক সর্বসাধারণ উপস্থিত ছিলেন।
আপনার মতামত লিখুন :