ঢাকা মহানগরে গরীবের অবলম্বন ওএমএস কার্যক্রম বন্ধ করে অস্থিরতা তৈরির অপচেষ্টা ফ্যাসিস্ট শক্তির


Kamrul Islam Sohel প্রকাশের সময় : ডিসেম্বর ২৪, ২০২৫, ৩:০১ অপরাহ্ন / ১০০০
ঢাকা মহানগরে গরীবের অবলম্বন ওএমএস কার্যক্রম বন্ধ করে অস্থিরতা তৈরির অপচেষ্টা ফ্যাসিস্ট শক্তির

নারায়নগঞ্জ নিউজ এক্সপ্রেস :
ঢাকা মহানগরে গরীবের অবলম্বন ওএমএস কার্যক্রম বন্ধ করে অস্থিরতা তৈরির অপচেষ্টা ফ্যাসিস্ট শক্তির । ঢাকা রেশনিং এর আওতাধীন ডিলারদের দুই গ্রুপের বিরোধ ও সংশ্লিষ্ট মামলার পরিপ্রেক্ষিতে হাইকোর্টের নির্দেশনায় ওএমএস (ওপেন মার্কেট সেল) কার্যক্রমে আটা ও চাল বিক্রি বন্ধ হয়ে গেছে। এতে চরম দুর্ভোগে পড়েছেন নগরীর হাজার হাজার হতদরিদ্র ও নিম্নআয়ের মানুষ, যাদের দৈনন্দিন জীবনধারণ অনেকটাই নির্ভরশীল ছিল ওএমএসের সাশ্রয়ী আটা ও চালের ওপর।

সরেজমিনে দেখা গেছে, বুধবার (২৪ ডিসেম্বর) থেকে রাজধানীর বিভিন্ন এসএমএস ও ওএমএস পয়েন্টে আটা বিক্রি বন্ধ রয়েছে। এক পয়েন্ট থেকে আরেক পয়েন্ট ঘুরেও প্রয়োজনীয় আটা ও চাল কিনতে পারছেন না ক্রেতারা। অনেক স্থানে ঝুলছে নোটিশ—‘পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত ওএমএস কার্যক্রম বন্ধ’। ফলে হঠাৎ করেই খাদ্য নিরাপত্তাহীনতায় পড়েছেন দিনমজুর, রিকশাচালক, গৃহকর্মীসহ স্বল্প আয়ের মানুষ।

বিশেষ করে জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার পর এমন সিদ্ধান্তে সাধারণ জনগণের মাঝে ব্যাপক প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়েছে। বাজারে চাল ও আটার দাম এমনিতেই ঊর্ধ্বমুখী; তার ওপর ওএমএস বন্ধ থাকায় সংকট আরও গভীর হয়েছে বলে মনে করছেন ভুক্তভোগীরা।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক ওএমএস ক্রেতা বলেন, “আমরা ওএমএসের আটা কিনে কোনোরকমে সংসার চালাই। এখন দোকান বন্ধ। খোলা বাজারে আটা কিনলে খরচ দ্বিগুণ হয়ে যায়। আমাদের কথা কেউ ভাবছে না।”

ভুক্তভোগী জনগণের দাবি, ডিলারদের অভ্যন্তরীণ বিরোধ ও আইনি জটিলতার দায় সাধারণ মানুষ কেন বহন করবে—সে প্রশ্নের উত্তর প্রয়োজন। তারা দ্রুত বিকল্প ব্যবস্থায় হলেও ওএমএস কার্যক্রম চালুর দাবি জানিয়েছেন।

এ অবস্থায় হতদরিদ্র ওএমএসে আটা ও চাল ক্রয়কারী জনগণ খাদ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ও খাদ্য সচিবের আশু সুদৃষ্টি কামনা করেছেন। সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, মানবিক বিবেচনায় দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ না করলে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ রূপ নিতে পারে।

জনস্বার্থ রক্ষায় আইনি জটিলতা নিরসন করে কিংবা অন্তর্র্বতীকালীন ব্যবস্থায় হলেও রাজধানীতে ওএমএস কার্যক্রম দ্রুত চালু করার জন্য সরকারের সংশ্লিষ্ট মহলের হস্তক্ষেপ এখন সময়ের দাবি।