
নারায়নগঞ্জ নিউজ এক্সপ্রেস :
বন্দরে অটোগাড়ী ছিনতাইকালে স্থানীয় জনতা ২ ছিনতাইকারীকে আটক করে পুলিশে সোর্পদ করেছে । আটককৃত ছিনতাইকারীরা হলো বন্দর থানার রামনগর এলাকার মোখলেছুর রহমানের ছেলে শরীফ হোসেন (২৫) ও লক্ষনখোলা এলাকার মোশারফ হোসেন মোল্লা ছেলে অনিক (১৮)। এ ব্যাপারে ভূক্তভোগী অটো চালক রমজান মিয়া বাদী হয়ে আটককৃত ছিনতাইকারীদের বিরুদ্ধে বন্দর থানায় এ মামলা দায়ের করেন তিনি।যার মামলা নং- ৩১(১২)২৫। আটককৃত ছিনতাইকারীদের উল্লেখিত মামলায় সোমবার (২৯ ডিসেম্বর) দুপুরে আদালতে প্রেরণ করেছে পুলিশ। এর আগে গত রোববার (২৮ ডিসেম্বর) রাত পৌনে ১০টায় বন্দর থানার মনারবাড়ী এলাকা থেকে ওই দুই ছিনতাইকারীকে আটক করে পুলিশে সোর্পদ করা হয়।
স্থানীয়রা জানিয়েছে,বন্দরে মনারবাড়ী ও তালতলা এলাকায় চুরি, ছিনতাই ও ডাকাতি ঘটনা ব্যাপক ভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। চুরি ও ছিনতাইয়ের ঘটনা বৃদ্ধি পাওয়ার কারনে আইন শৃঙ্খলা ব্যাপক অবনতি ঘটেছে।
ঢাকা জুনিয়র মার্চেনডাইজার অফিসার অপহরণের মামলায় বন্দরে ৩ অপহরনকারী গ্রেপ্তার
ঢাকা ইএসপি আই টেক্স গ্রুপের জুনিয়র মার্চেনডাইজার অফিসারকে অচেতন করে অপহরণ পর ১০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি মামলায় জড়িত থাকার অপরাধে ৩ অপহরনকারীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গ্রেপ্তারকৃতরা হলো সিদ্ধিরগঞ্জ থানার এসিআই পানির কল এলাকার নজরুল ইসলামের ছেলে অভি (২২) বন্দর থানার মদনগঞ্জ এলাকার জামাল হোসেন মিয়ার ছেলে শাহাদাত হোসেন (৩০) ও নবীগঞ্জ উত্তরপাড়া এলাকার বাচ্চু মিয়ার ছেলে হৃদয় (২৯)। ধৃত ৩ অপহরনকারীকে বন্দর থানার দায়েরকৃত ৪৯(১০)২৫ নং মামলায় সোমবার (২৯ ডিসেম্বর) দুপুরে ১০ দিনের রিমান্ডের আবেদন জানিয়ে আদালতে প্রেরণ করেছে। গত রোববার (২৮ ডিসেম্বর) রাতে বন্দর থানার বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে এদেরকে গ্রেপ্তার করা হয়।
বিভিন্ন তথ্য সূত্রে জানা গেছে, ধৃত অপহরনকারী অভি, শাহাদাত হোসেন ও হৃদয় আন্তঃ জেলা অপহরণ, ছিনতাই দলের সক্রিয় সদস্য। তারা বিভিন্ন সময় বন্দর থানা বিভিন্ন এলাকায় অপহরণ ও ছিনতাই করে আসছিল । মামলার বাদী ঢাকা জেলাধীন মিডিল বাড্ডা হল্যান্ড সেন্টার অবস্থিত ইএসপি আই টেক্স গ্রুপ এর জুনিয়র মার্চেনডাইজার অফিসার হিসাবে কর্মরত আছে। গত (২৫ অক্টোবর) বাদী অফিসের কাজের উদ্দেশ্যে বাদীর নিজ মালিকানাধীন মোটর সাইকেল YAMAHA FZS V 3.0 যাহার রেজিঃ ঢাকা মেট্রো-ল- ৫০- ১১৬৩, ইঞ্জিন নং- G3L5E0173185, চেসিস নং- RG6420 06204, রং-Matt Black, যাহার মূল্য ২,৬৫,০০০ টাকা যোগে রওনা করিয়া নারায়নগঞ্জ জেলার বন্দর থানার মদনপুর ইপিলিয়ন গার্মেন্টস আসার পথে একই দিন সন্ধ্যা অনুমান ০৭.০০ ঘটিকার সময় বন্দর থানাধীন মদনপুর বাসস্ট্যান্ড সংলগ্ন একটি চায়ের টং দোকানে বসে। পরে চা খাওয়ার পর বাদী অজ্ঞান হয়ে পড়ে পরবর্তীতে একই তারিখ রাত সাড়ে ৮টার সময় জ্ঞান ফেরার পর বাদী দেখতে পায় বন্দর থানাধীন তিনগাঁও জনৈক আরিফুজ্জামান এর নির্মানাধীন একতলা বিল্ডিং এর ছাদে অজ্ঞাতনামা ১২/১৫ জন বিবাদীরা বাদীকে অপহরন করিয়া আটক করিয়া রেখেছে। এক পর্যায়ে অজ্ঞাত বিবাদীরা বাদীকে দেশীয় অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে ভয় দেখিয়ে বাদীর নিকট ১০ লাখ টাকা চাঁদা দাবী করে। ওই সময় বাদী বিবাদীদের দাবীকৃত টাকা দিত অস্বীকার করিলে বিবাদীরা বাদীর নিকট থাকা নগদ ১৮০/- টাকা, একটি Galaxy S23 Ultra স্মার্ট মোবাইল ফোন যাহার IMEI- 357822618668640, 358710718668645, সিম নং-01624-766565, যাহার মূল্য ১,৪৫,০০০/- টাকা এবং অফিসের একটি প্রটেবল হার্ডডিক্স নিয়ে নেয়। অজ্ঞাতনামা বিবাদীদের মধ্যে ২ জন বিবাদী বাদীর নিজ মালিকানাধীন মোটর সাইকেল
FZS V 3.0 যাহার রেজিঃ ঢাকা মেট্রো-ল-৫০-১১৬৩ নিয়ে চলে যায়। পরে বিবাদীরা বাদীর আত্মীয়দের ফোন করিয়া বাদীর বিকাশে টাকা আনার জন্য বলে। বাদী প্রানের ভয়ে তাহার ব্যাংক একাউন্ট ও নিকট আত্মীয়দের নিকট হইতে বাদীর বিকাশ নম্বারে মোট ৫৬,০০০
টাকা আনায়। উক্ত টাকা বিবাদীরা তাদের ব্যবহৃত ফোন নম্বরে সেন্ডমানি করে নিয়ে নেয়। পরবর্তীতে গত (২৬ অক্টোবর) রাত ২টা ১০ মিনিটে অজ্ঞাতনামা বিবাদীরা বাদীকে বিভিন্ন ধরনের হুমকি প্রদান করিয়া তিনগাঁও বাজারের পাশে রাস্তায় নামিয়ে দিয়ে ঘটনাস্থল ত্যাগ করে।
বন্দরে ১০৫ পিছ ইয়াবা ট্যাবলেট ও ৫০০ গ্রাম গাঁজাসহ ২ মাদক কারবারিকে গ্রেপ্তার করেছে জেলা মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর। ধৃতরা হলো বন্দর থানার ২৩ নং ওয়ার্ডের একরামপুর এলাকার মৃত হাসান আলী ছেলে শাকিল (৩৫) ও একই থানার ২০ নং ওয়ার্ডের মাহামুদনগর এলাকার মিজান মিয়ার ছেলে রিয়ান (২৫)। ইয়াবা ও গাঁজা উদ্ধারের ঘটনায় জেলা মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের উপ পরিদর্শক রাজা বাদী হয়ে বন্দর থানায় মাদক আইনে মামলা রুজু করেছে। যার মামলা নং- ৩০(১২)২৫। ধৃতদের সোমবার (২৯ ডিসেম্বর) দুপুরে উল্লেখিত মামলায় আদালতে প্রেরণ করেছে। এর আগে গত রোববার (২৮ ডিসেম্বর) রাতে বন্দর থানার একরামপুর পৌরসভাস্থ জৈনক আক্তার হোসেনের টি স্টোলের সামনে অভিযান চালিয়ে উল্লেখিত মাদক ব্যবসায়ীদের গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয়।
থানা পুলিশ জানিয়েছে, ধৃত মাদক ব্যবসায়ী শাকিল ও রিয়ান দীর্ঘ দিন ধরে একরামপুর ও মাহামুদনগর এলাকায় ইয়াবা ও গাঁজা বিক্রি করে আসছিল।
আপনার মতামত লিখুন :