বিএনপির প্রয়াত নেতা বিল্লাল হোসেনের পরিবারের পাশে দাঁড়ালেন এটিএম কামাল


Kamrul Islam Sohel প্রকাশের সময় : এপ্রিল ৭, ২০২৬, ৬:৪৩ অপরাহ্ন / ১০০০
বিএনপির প্রয়াত নেতা বিল্লাল হোসেনের পরিবারের পাশে দাঁড়ালেন এটিএম কামাল

বিএনপির প্রয়াত নেতা বিল্লাল হোসেনের পরিবারের পাশে দাঁড়ালেন এটিএম কামাল

বিএনপির প্রয়াত নেতা বিল্লাল হোসেনের পরিবারের পাশে দাঁড়ালেন এটিএম কামাল

নারায়ণগঞ্জ মহানগর বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক এ টি এম কামাল প্রয়াত নেতা বিল্লাল হোসেনের পরিবারের পাশে দাঁড়িয়েছেন।

 

জানা যায়, নারায়ণগঞ্জ মহানগর বিএনপির নেতা বিল্লাল হোসেন দীর্ঘদিন রাজপথের আন্দোলন-সংগ্রামে সক্রিয় ছিলেন এবং এ টি এম কামালের ঘনিষ্ঠ সহকর্মী হিসেবে পরিচিত ছিলেন। তবে জীবনের শেষ সময় তিনি চরম অর্থকষ্ট ও অবহেলার মধ্যে দিন কাটান।

 

নারায়ণগঞ্জের গোগনগর ইউনিয়নের সুকুমপট্টি এলাকায় তার বসবাস ছিল একটি আধাপাকা একতলা ঘরে। কিন্তু আর্থিক সংকটের কারণে ঘরটির ছাদ নির্মাণ করা সম্ভব হয়নি। ফলে দীর্ঘদিন ধরে পলিথিন দিয়ে ঘর ঢেকে কোনোরকমে বসবাস করছিলেন তিনি ও তার পরিবার।

 

বিল্লাল হোসেন মরণব্যাধিতে আক্রান্ত হয়ে শয্যাশায়ী থাকাকালে দলের অনেক নেতাকর্মীর সহযোগিতা পাননি বলে অভিযোগ করেন তার স্ত্রী সোনিয়া বিল্লাল। তিনি জানান, শেষ সময়ে এ টি এম কামাল ছাড়া আর কেউ তাদের খোঁজ নেননি এবং বিনা চিকিৎসায় ধুঁকে ধুঁকেই বিল্লাল হোসেন মারা যান।

 

বিল্লালের মৃত্যুর পরও তার পরিবারের দুরবস্থার কথা ভুলে যাননি এ টি এম কামাল। গত জাতীয় সংসদ নির্বাচনের সময় দেশে এসে তিনি বিল্লালের বাড়ি পরিদর্শন করেন এবং পরিবারের করুণ অবস্থা দেখে মর্মাহত হন।

 

পরবর্তীতে বিদেশে অবস্থান করেও তিনি বিল্লালের পরিবারের জন্য প্রাথমিক সহায়তা হিসেবে ৫০ হাজার টাকা পাঠিয়েছেন। পাশাপাশি বিল্লালের স্ত্রী সোনিয়া বিল্লালের চিকিৎসার দায়িত্বও নিয়েছেন। প্রয়োজন হলে ঘর নির্মাণের বাকি কাজেও সহযোগিতা করবেন বলে আশ্বাস দিয়েছেন তিনি।

 

এ বিষয়ে এ টি এম কামাল বলেন, “বিল্লাল বিএনপির একজন নিবেদিতপ্রাণ কর্মী ছিল। দলের দুঃসময়ে সে যে অবদান রেখেছে, তা আমি কখনও ভুলতে পারবো না। সে আমার ঘনিষ্ঠ সহকর্মী ছিল এবং সবসময় আমার সঙ্গে বিভিন্ন কর্মসূচিতে অংশ নিত।”

 

তিনি আরও বলেন, “বিল্লাল ইন্তেকাল করেছে, তার কোনো সন্তান নেই। তার স্ত্রী মানবেতর জীবনযাপন করছে। তার ঘরটি জরাজীর্ণ ছিল। আমি আমার সামর্থ্য অনুযায়ী ঘরটি মেরামতের উদ্যোগ নিয়েছি। পাশাপাশি তার চিকিৎসার ব্যবস্থাও করা হচ্ছে। বিল্লালের মতো ত্যাগী কর্মীদের খোঁজখবর রাখা আমাদের সবার দায়িত্ব।”