
পবিত্র ঈদুল আজহাকে কেন্দ্র করে কোরবানির বর্জ্যে নগরজুড়ে ভোগান্তির আশঙ্কা থাকলেও এবার প্রশাসক সাখাওয়াত হোসেনের তৎপরতায় দ্রুত পরিচ্ছন্নতার কাজ সম্পন্ন করেছে নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশন (নাসিক)।
দাপ্তরিক নির্দেশনার বাইরে গিয়ে নিজেই বর্জ্যবাহী ট্রাকে চড়ে নগরীর বিভিন্ন এলাকায় সরাসরি তদারকিতে নামেন নাসিক প্রশাসক অ্যাডভোকেট সাখাওয়াত হোসেন খান।
এতে পরিচ্ছন্নতা কর্মীরাও পান ভিন্ন উদ্যোম। সরাসরি প্রশাসক সড়কে তদারকির দায়িত্বে থাকায় সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারাও ছিলেন দায়িত্বের প্রতি আলাদা নজরদারিতে। ফলে, নগরবাসী কোরবানির বর্জ্যরে উৎকট গন্ধ থেকে অনেকাংশে মুক্তি পেয়েছেন।
সিটি কর্পোরেশন সূত্র বলছে, ঈদের দিন বৃহস্পতিবার (২৮ মে) থেকে শুক্রবার (২৯ মে) পর্যন্ত পরিচালিত বিশেষ অভিযানে সিটি কর্পোরেশনের তিনটি অঞ্চলে প্রায় ২ হাজার টন কোরবানির বর্জ্য অপসারণ করা হয়। এ কাজে প্রায় ৮০টি ট্রাক, ভেকু ও অন্যান্য যানবাহনের পাশাপাশি বিপুলসংখ্যক পরিচ্ছন্নতাকর্মী একযোগে অংশ নেন।
সকাল থেকেই চাষাঢ়া, দেওভোগ, খানপুর, সিদ্ধিরগঞ্জ ও বন্দরের বিভিন্ন এলাকায় পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম জোরদার করতে দেখা যায়। কোথাও ট্রাকে বর্জ্য তোলা, কোথাও ভেকু দিয়ে রাস্তা পরিষ্কার- সবখানেই ছিল সমন্বিত উদ্যোগ। পুরো কার্যক্রম মাঠে উপস্থিত থেকে পর্যবেক্ষণ করেন প্রশাসক, যা কর্মীদের মধ্যে বাড়তি উদ্দীপনা সৃষ্টি করে।
পরিচ্ছন্নতাকর্মীরা জানান, ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাকে সরাসরি মাঠে কাজ করতে দেখে তারা আরও দায়িত্বশীল হয়ে কাজ করতে উৎসাহ পেয়েছেন।
নাসিক প্রশাসক অ্যাডভোকেট সাখাওয়াত হোসেন খান বলেন, “ঈদে নগরবাসী যাতে ভোগান্তিতে না পড়ে এবং পরিবেশ দূষণ না হয়, সে বিষয়টিকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। পরিচ্ছন্নতাকর্মীরা আন্তরিকতার সঙ্গে কাজ করেছেন, নগরবাসীর সহযোগিতাও ছিল প্রশংসনীয়।”
তিনি আরও জানান, এ কার্যক্রম আরও একদিন অব্যাহত থাকবে।
নগরবাসীর মতে, আগের বছরের তুলনায় এবার দ্রুত বর্জ্য অপসারণ হওয়ায় দুর্গন্ধ ও অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ অনেকটাই কমেছে।
আপনার মতামত লিখুন :