
নারায়নগঞ্জ নিউজ এক্সপ্রেস :
নারায়ণগঞ্জের বন্দর উপজেলার জিওধরা এলাকায় পূর্ব শত্রুতার বিরোধে বিএনপি সম্ভাব্য ৫ নং ওয়ার্ড সভাপতি সাহাদাত হোসেন(৪০)কে অফিসে ডেকে এনে হাতুরী দিয়ে পিটিয়ে রক্তাক্ত জখম করলেন কথিত থানা যুবদল নেতা দ্বীন ইসলামগং। গত মঙ্গলবার ২২ অক্টোবর বিকেলে কলাগাছিয়া ইউনিয়নস্থ ৫ নং ওয়ার্ড জিওধরা এলাকায় ঘটনাটি ঘটে। এ ব্যাপারে আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।
বিএনপি নেতা আহত সাহাদাতকে দেখতে নারায়ণগঞ্জ হাসপাতালে এসে খোজ নিয়েছেন মহানগর বিএনপির সভাপতি এ্যাড. শাখাওয়াত হোসেন খানসহ বিএনপি নেতৃবৃন্দ।
এ ঘটনায় মহানগর বিএনপি সভাপতি এ্যাড শাখাওয়াত হোসেন খান বলেন,অত্যন্ত দু:খ জনক আমাদের আন্দোলন সংগ্রামে অগ্রভাগে নেতৃত্ব দেওয়া এক বিএনপি নেতাকে লাঞ্চিত করা হয়েছে। আমরা বিষয়টি খতিয়ে দেখছি। দোষী ব্যক্তিদের বিরোদ্ধে সাংগঠনিক ভাবে ও আইনীভাবে ব্যবস্থা নেয়া হবে।
জানা গেছে,কলাগাছিয়া ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি সাহাদুল্লাহ মুকুল ওয়ার্ড ভিত্তিক পূর্নাঙ্গ কমিটি করতে রাজপথের ত্যাগী কর্মী স্থানীয় ৫ নং ওয়ার্ডের দায়িত্ব দেন সাহাদাতের কাছে। বিএনপি কর্মী সাহাদাৎ ওয়ার্ড ভিত্তিক একটি কমিটির তালিকাও করেন। এরই জের ধরে একই এলাকার কথিত যুবদল নেতা দ্বীন ইসলামের নেতৃত্বে ৮/১০ জনের একটি সন্ত্রাসী বাহিনী বিএনপি কর্মী সাহাদাতকে তাদের অফিসে বসিয়ে রেখে বাদশা নামে এক সন্ত্রাসী সুইচ গিয়ার বের করে ভয়ভীতি দেখায়। পরে তাকে কমিটির তালিকা কেন করলো এসব নিয়ে মহানগর বিএনপি নেতাদের উদ্দেশ্য করে সাহাদাতকে চর থাপ্পর ও হাতুরী দিয়ে পিটিয়ে মারাতœক জখম করে ও অকথ্য ভাষায় গালমন্দ করে। সাহাদাতের চিৎকারে আশপাশের লোক ছুটে এসে গুরুতর জখম সাহাদাতকে উদ্ধার করে বন্দর উপজেলা কমপ্লেক্সে চিকিৎসা প্রদান করে। পরে তাকে নারয়ণগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালে রেফার্ড করা হয়।
এ ব্যাপারে বন্দর থানার ওসি লিয়াকত আলী জানান,বিএনপির এক কর্মীকে মারধরের কথা শুনেছি। এখনও অভিযোগ পাইনি। অভিযোগ পেলে আইনি ব্যবস্থা গ্রহন করবো।
আপনার মতামত লিখুন :