কাশীপুরের ৬টি ওয়ার্ডে শাহ আলমের নির্বাচনি গণসংযোগ: জলাবদ্ধতা নিরসনের অঙ্গীকার


Kamrul Islam Sohel প্রকাশের সময় : নভেম্বর ৯, ২০২৫, ৩:৫৮ অপরাহ্ন / ১০০০
কাশীপুরের ৬টি ওয়ার্ডে শাহ আলমের নির্বাচনি গণসংযোগ: জলাবদ্ধতা নিরসনের অঙ্গীকার

আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনে বিএনপির মনোনয়ন প্রত্যাশী মোঃ শাহ আলম ফতুল্লা থানাধীন কাশিপুর ইউনিয়নের ৬টি ওয়ার্ডে ব্যাপক গণসংযোগ চালিয়েছেন। শনিবার বিকেলে কাশিপুর ঈদগাহ মাঠে এলাকাবাসীর উদ্দেশ্যে দেওয়া ভাষণে তিনি বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের ‘ক্লিন ইমেজের নেতৃত্ব বাছাইয়ের’ ঘোষণাকে স্বাগত জানান এবং নিজেও সন্ত্রাস, মাদক ব্যবসা, চাঁদাবাজি ও ভূমিদস্যুদের প্রশ্রয় না দেওয়ার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।

মোঃ শাহ আলম বলেন, “আমি আপনাদের নিরাপত্তার দায়িত্ব নিতে চাই। জীবনে সন্ত্রাস, মাদক ও চাঁদাবাজদের প্রশ্রয় দেব না। যারা বিএনপি করে তারা কখনো সন্ত্রাসী হতে পারে না।” তিনি আরও যোগ করেন, দলের সিদ্ধান্তে মনোনয়ন পেলে এবং নির্বাচিত হতে পারলে নারায়ণগঞ্জের দীর্ঘদিনের জলাবদ্ধতা নিরসনে সর্বোচ্চ উদ্যোগ নেবেন ইনশাআল্লাহ।

গণসংযোগকালে তার সাথে উপস্থিত ছিলেন ফতুল্লা থানা বিএনপির সাবেক সভাপতি জাহিদ হাসান রোজেল, জেলা বিএনপির সদস্য নাজিম হাসান মিঠু, একরামুল কবির মামুন, ফতুল্লা থানা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক নজরুল ইসলাম পান্না মোল্লা, জিসাসের সাধারণ সম্পাদক মোঃ আনিসুর রহমান, কুতুবপুর ইউনিয়নের সাবেক সভাপতি এম এ আকবর, সাবেক সাধারণ সম্পাদক তাহের মোল্লা, কাশিপুর ইউনিয়ন বিএনপির আমিনুল ইসলাম, ফতুল্লা থানা যুবদলের সাবেক সিনিয়র সহ-সভাপতি আরাফাত আলম জিতু, টিটু সহ প্রমুখ নেতৃবৃন্দ।

শাহ আলমের এই গণসংযোগ এলাকার সাধারণ মানুষের মধ্যে ব্যাপক সাড়া ফেলেছে এবং তার পরিচ্ছন্ন ভাবমূর্তি ও জনমুখী অঙ্গীকার দলের নেতাকর্মী ও সাধারণ ভোটারদের মাঝে ইতিবাচক প্রভাব ফেলছে বলে মনে করা হচ্ছে।

সারাদেশ বিভাগের আরো খবর

এমপিরা অনিয়ম করলে স্পিকার ও ইসি যৌথ তদন্ত করবেনির্বাচন কমিশনার আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ জানিয়েছেন, সংসদ সদস্যরা যদি কোনো অনিয়মে জড়িয়ে পড়েন, তাহলে সংশোধিত আইন অনুযায়ী স্পিকার ও নির্বাচন কমিশনের (ইসি) যৌথ কিংবা একক উদ্যোগে সেই এমপির কর্মকাণ্ড তদন্ত করা যাবে। রোববার রাজধানীতে নাগরিক প্ল্যাটফর্ম আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।  তিনি বলেন, কোনো সংসদ সদস্যের বিরুদ্ধে যদি কোনো অভিযোগ আসে- যে তিনি কোনো অনিয়মের সঙ্গে জড়িয়ে গিয়েছেন, তাহলে স্পিকার নিজ ক্ষমতাবলে যাচাইয়ের জন্য তা ইসির কাছে ন্যস্ত করতে পারেন। বাংলাদেশে কখনো এটিকে চর্চা করা হয়নি। এখন এই আইন সংশোধন হয়েছে।  বিজ্ঞাপন

এমপিরা অনিয়ম করলে স্পিকার ও ইসি যৌথ তদন্ত করবেনির্বাচন কমিশনার আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ জানিয়েছেন, সংসদ সদস্যরা যদি কোনো অনিয়মে জড়িয়ে পড়েন, তাহলে সংশোধিত আইন অনুযায়ী স্পিকার ও নির্বাচন কমিশনের (ইসি) যৌথ কিংবা একক উদ্যোগে সেই এমপির কর্মকাণ্ড তদন্ত করা যাবে। রোববার রাজধানীতে নাগরিক প্ল্যাটফর্ম আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন। তিনি বলেন, কোনো সংসদ সদস্যের বিরুদ্ধে যদি কোনো অভিযোগ আসে- যে তিনি কোনো অনিয়মের সঙ্গে জড়িয়ে গিয়েছেন, তাহলে স্পিকার নিজ ক্ষমতাবলে যাচাইয়ের জন্য তা ইসির কাছে ন্যস্ত করতে পারেন। বাংলাদেশে কখনো এটিকে চর্চা করা হয়নি। এখন এই আইন সংশোধন হয়েছে। বিজ্ঞাপন

আরও খবর