
নারায়নগঞ্জ নিউজ এক্সপ্রেস :
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রার্থী হতে পারেন সাবেক সংসদ সদস্য মুক্তিযোদ্ধা মোহাম্মদ আলী। এ নিয়ে চলছে ব্যাপক গুঞ্জন। জেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের এক মত বিনিময় সভায় মোহাম্মদ আলীকে নারায়ণগঞ্জ -৪ আসনের প্রার্থী হওয়ার জন্য জোড়ালো দাবী ওঠেছে।নারায়ণগঞ্জ -৪ আসনে চমক দেখাতে পারেন আলোচিত এই ব্যবসায়ী নেতা।নির্বাচন করবেন, এমন কথা মোহাম্মদ আলী নিজেও বলছেন না।
জেলা মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্সে মুক্তিযোদ্ধাদের মত বিনিময় সভায় উপস্থিত মুক্তিযোদ্ধা ও জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি এডভোকেট সরকার হুমায়ন কবীর নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনে মোহাম্মদ আলীকে প্রার্থী হওয়ার ঘোষনা দেন।উপস্থিত মুক্তিযোদ্ধাসহ সকলে এ দাবীর প্রতি সমর্থন জানায়। তবে মোহাম্মদ আলী নির্বাচন করবেন এ খবর এখন সর্বত্রই বিরাজমান।ফতুল্লার স্থানীয় ভোটাররাও চাচ্ছেন তিনি নির্বাচন করুক। তাদের মতে, মোহাম্মদ আলী নির্বাচন করলে এবং নির্বাচিত হলে নারায়ণগঞ্জ ফতুল্লা-৪ আসনে ব্যাপক উন্নয়ণ হবে।
এদিকে মোহাম্মদ আলীর ঢাকা ভেজিটেবল ওয়েল মিলের অফিসে প্রতিনিয়ত বিভিন্ন এলাকার মুরুব্বীরা শিল্পপতি মোহাম্মদ আলীর সাথে সৌজন্যে সাক্ষাত করে আগামী নির্বাচনে অংশ নেয়ার জন্য জোড় দাবী জানাচ্ছেন।প্রতিদিনই নারায়নগঞ্জ-৪ আসনের বিভিন্ন এলাকার লোকজন তাঁর অফিসে ভীড় করছেন।তবে আলোচিত এই শিল্পপতি আগামী ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের বিষয়ে এখনো মুখ খুলছেন না।
বিশ্লেষকদের মতে,বিএনপি জোটের প্রার্থী যদি কাশেমীকে করা হয় তাহলে নিশ্চিত মোহাম্মদ আলী বিজয়ী হবে। যদি কাশেমী নিজ দলীয় প্রতিকে নির্বাচন করেন তাহলে ভরাডুবি নিশ্চিত।অন্য একটি সূত্র জানিয়েছে,কাশেমী বিএনপিতে যোগ দিয়ে ধানের শীষ প্রতিকে নির্বাচন করার জন্য দৌড়ঝাঁপ করছেন। কারন,তিনি নির্বাচনী মাঠের হিসেবনিকেশ কষে দেখেছে তার দলের প্রতিকে বৈতরণি পার হাতে পারবেন না। তাই নয়া সমীকরণে এগুছেন তিনি।
ফতুল্লা অঞ্চলের মানুষ বলছেন, ১৯৯১ সালে দেয়াল ঘড়ি প্রতীক নিয়ে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচন করেছিলেন মোহাম্মদ আলী। বক্তাবলী, আলীর টেক,গোগনগর রয়েছে মোহাম্মদ আলীর ভোট ব্যাংক।তাছাড়া নিজ এলাকা ফতুল্লা,এনায়েত নগর,কাশীপুর, কুতুবপুরে রয়েছে ব্যাপক জনসমর্থন।
আপনার মতামত লিখুন :