
নারায়নগঞ্জ নিউজ এক্সপ্রেস :
নারায়ণগঞ্জ–৫ আসনে বিএনপি সমর্থিত প্রার্থী মাসুদুজ্জামান মাসুদের নির্বাচনী ফেস্টুনের ওপর স্বতন্ত্র প্রার্থী মাকসুদ হোসেনের ফেস্টুন লাগানোকে কেন্দ্র করে বন্দর উপজেলায় কৃষকদল সভাপতির ওপর সন্ত্রাসী হামলার অভিযোগ উঠেছে। হামলায় কৃষকদল নেতা কামাল হোসেন (৪৮)সহ তিনজন আহত হয়েছেন। হামলা, মারধর ও ছিনতাইয়ের অভিযোগে তিনি ১১ জনকে বিবাদী করে বন্দর থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, প্রায় এক মাস আগে বন্দর থানার লাঙ্গলবন্দ প্রেমতলা এলাকায় বিএনপি মনোনীত প্রার্থী মাসুদুজ্জামান মাসুদের নির্বাচনী ফেস্টুন টানানো হয়। অভিযোগ অনুযায়ী গত ১৩ নভেম্বর রাতে ওই ফেস্টুনের ওপর স্বতন্ত্র প্রার্থী মাকসুদ হোসেনের নির্বাচনী ব্যানার জোরপূর্বক লাগানো হয়।
অভিযুক্তদের মধ্যে রয়েছেন:
মাকসুদ হোসেন (৫৮), তার ছেলে মাহমুদুল হাসান শুভ (৩৫), মাইনউদ্দিন (৩৮), বিল্লাল (৩২), পানাউল্লাহ (৩৬), মাসুদ (৩৪), নাদিম (২৮), বিল্লাল (৩৫), নুর আলম (৩৪), রুবেল (৩৪) ও রিয়াজুল (৩২)।
অভিযোগে বলা হয়, ১৪ নভেম্বর সকালে গণসংযোগের সময় ব্যানার অপসারণ নিয়ে কামাল হোসেনের সঙ্গে মাইনউদ্দিন ও বিল্লালের বাকবিতণ্ডা হয়। পরে রাত ৯টার দিকে নারায়ণগঞ্জ শহরে প্রচার শেষে বাড়ি ফেরার পথে বাজুরবাগ এলাকায় রুমান মিয়ার ফার্মেসীর সামনে পৌঁছালে মাকসুদ হোসেন ও তার ছেলে শুভর নির্দেশে সকল বিবাদী দেশীয় অস্ত্র নিয়ে হামলা চালায়।
হামলায় কামাল হোসেন, তার সঙ্গে থাকা মহিউদ্দিন (৩৫) ও শাকিল (৩২) গুরুতর আহত হন। অভিযোগে বলা হয়, তাদের হত্যার উদ্দেশ্যে রামদা, চাইনিজ কুড়াল, ছুরি, রড ও লাঠি দিয়ে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে ও মারধর করা হয়।
হামলার সময় কামাল হোসেনের কাছ থেকে ৩২ হাজার টাকা, মহিউদ্দিনের ৭ হাজার ৮২০ টাকা ও মোবাইল ফোন, শাকিলের ৪ হাজার ২৭০ টাকা ও মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নেওয়া হয়। স্থানীয় লোকজন এগিয়ে এলে হামলাকারীরা পালিয়ে যায় এবং যাওয়ার সময় প্রাণনাশের হুমকি দেয়।
পরে আহতদের স্থানীয়দের সহায়তায় উদ্ধার করে খানপুর ৩০০ শয্যা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
অভিযোগকারী কামাল হোসেন জানান, এটি পরিকল্পিত হামলা। আমাদের হত্যার উদ্দেশ্যে এ ঘটনা ঘটানো হয়েছে।
বন্দর থানার ওসি লিয়াকত হোসেন বলেন,অভিযোগটি পেয়েছি। তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
আপনার মতামত লিখুন :