
নারায়নগঞ্জ নিউজ এক্সপ্রেস :
নারায়ণগঞ্জ জেলার পাঁচটি নির্বাচনী আসনের চারটিতেই বিএনপির মনোনয়ন পেয়েছেন বিএনপির রাজনীতির মাঠের নতুন মুখ। এবার মনোনয়ন বঞ্চিত হয়েছেন বিগত সময়ের নির্বাচিত সাবেক সংসদ-সদস্য ও হেভিওয়েট প্রার্থীরা। মনোনয়ন পেয়ে নানা বিতর্কে নিজেদের নাম জাড়াচ্ছেন মনোনয়ন প্রত্যাশিরা ।
এ নিয়ে পুরো জেলাজুড়ে চলছে ব্যাপক আলোচনা সমালোচনা। নারায়নগঞ্জ ৩ ও ৫ দুইটি আসনে প্রার্থী পরিবর্তনের দাবিতে মাঠে রয়েছেন বঞ্চিত প্রার্থী ও তাদের সমর্থকরারা। তাদের দাবি, বিএনপি কৌশলগত কারণে সারা দেশে প্রাথমিকভাবে ২৬৩ আসনে নাম ঘোষণা করেছে। নির্বাচনের তফশিল ঘোষণার পর অনেক আসনেই প্রার্থী পরির্বতন হতে পারে। এই আশায় তারা রাজনীতির মাঠ ছাড়ছেন না।
নারায়ণগঞ্জ-৩ (সোনারগাঁ-সিদ্ধিরগঞ্জ) আসনে বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ও সোনারগাঁ উপজেলা বিএনপির সভাপতি আজহারুল ইসলাম মান্নান। নারায়ণগঞ্জ-৫ (সদর-বন্দর) আসনে নারায়ণগঞ্জ চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিজের সাবেক সভাপতি, ক্রীড়া সংগঠক এবং মডেল ডি ক্যাপিটাল গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মাসুদুজ্জামান মাসুদ
নারায়ণগঞ্জ-৩ আসনে মনোনয়নপ্রত্যাশী সাত প্রার্থী মাঠে রয়েছেন। মনোনয়ন পরিবর্তনের দাবিতে তারা যৌথভাবে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের কাছে চিঠি দিয়েছেন। চিঠিতে স্বাক্ষর করেন সোনারগাঁয়ের সাবেক সংসদ-সদস্য ও বিএনপির সাবেক মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী অধ্যাপক রেজাউল করিম, সাবেক সংসদ-সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা মুহম্মদ গিয়াস উদ্দিন, জেলা বিএনপির আহ্বায়ক অধ্যাপক মামুন মাহমুদ, কেন্দ্রীয় স্বেচ্ছাসেবক দলের সাবেক সহসভাপতি অধ্যাপক ওয়াহিদ বিন ইমতিয়াজ বকুল ও যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের সাবেক পরিচালক ওয়ালিউর রহমান আপেল, সোনারগাঁ উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি মোহাম্মদ আবু জাফর, ও সোনারগাঁ উপজেলা বিএনপির সাবেক সহসভাপতি আল মুজাহিদ মল্লিক।
নারায়ণগঞ্জ-৫ আসনে বিএনপির প্রার্থী ব্যবসায়ী নেতা মাসুদুজ্জামানের বিরুদ্ধে মাঠে রয়েছেন বঞ্চিত চার প্রার্থী। তারা হলেন-সাবেক সংসদ-সদস্য অ্যাডভোকেট আবুল কালাম, প্রাইম গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আবু জাফর আহম্মেদ বাবুল, নারায়ণগঞ্জ মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট সাখাওয়াত হোসেন খান ও সদস্য সচিব আবু আল ইউসুফ খান টিপু।
আপনার মতামত লিখুন :