নারায়ণগঞ্জ-৩ আসনে মনোনয়নপত্র দাখিল করেন গণসংহতি আন্দোলনের অঞ্জন দাস


Kamrul Islam Sohel প্রকাশের সময় : ডিসেম্বর ২৯, ২০২৫, ৮:১৯ অপরাহ্ন / ১০০০
নারায়ণগঞ্জ-৩ আসনে মনোনয়নপত্র দাখিল করেন গণসংহতি আন্দোলনের অঞ্জন দাস

 

নারায়নগঞ্জ নিউজ এক্সপ্রেস :
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশগ্রহণের লক্ষ্যে সোমবার (২৯ ডিসেম্বর) নারায়ণগঞ্জ জেলা নির্বাচন কমিশনের রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয়ে সশরীরে উপস্থিত হয়ে মনোনয়নপত্র দাখিল করেন গার্মেন্ট শ্রমিক সংহতির কেন্দ্রীয় সহ-সভাপ্রধান ও গণসংহতি আন্দোলন নারায়ণগঞ্জ জেলার নির্বাহী সমন্বয়কারী জননেতা অঞ্জন দাস। তিনি নারায়ণগঞ্জ–০৩ (সোনারগাঁ ও সিদ্ধিরগঞ্জ আংশিক) আসনে গণসংহতি আন্দোলনের মনোনীত ‘মাথাল’ প্রতীকের প্রার্থী।

মনোনয়নপত্র জমাদানের সময় গণসংহতি আন্দোলন ও এর সহযোগী সংগঠনের জেলা-উপজেলা পর্যায়ের নেতাকর্মীরা উপস্থিত থাকলেও সামগ্রিক রাজনৈতিক পরিবেশ ছিল উৎকণ্ঠায় ভরা। কারণ, বিরোধী কণ্ঠ দমন, রাজনৈতিক সহিংসতা ও প্রশাসনিক পক্ষপাতিত্বের বাস্তবতা আজও মাঠপর্যায়ে বিদ্যমান।

মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার পর অঞ্জন দাস বলেন, এই নির্বাচন কোনো সাজানো খেলা হতে পারে না। নির্বাচিত হয়ে মেহনতি মানুষের অধিকার আদায় করাই হবে আমার প্রথম কাজ। আজ মনোনয়ন জমা দিয়ে আমরা কেবল কাগজ জমা দেইনি আমরা জনগণের আশা-আকাঙ্ক্ষাকে নির্বাচনের ময়দানে দাঁড় করিয়েছি।

নির্বাচনের পরিবেশ নিয়ে ক্ষোভ ও শঙ্কা প্রকাশ করে তিনি আরও বলেন, নিরাপত্তাহীনতার মধ্যে দাঁড়িয়ে নির্বাচন করা অসম্ভব। নির্বাচন কমিশনের প্রতি স্পষ্ট দাবি অবিলম্বে লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড নিশ্চিত করুন। লুট হওয়া ও অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার করুন। কিন্তু বাস্তবে আমরা দেখছি প্রশাসনের নীরবতা ও নিষ্ক্রিয়তা।

সাম্প্রতিক রাজনৈতিক সহিংসতার প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, ওসমান হাদিকে গুলি করে হত্যার পর আমরা এখনো শঙ্কিত। এই হত্যাকাণ্ড প্রমাণ করে রাজনৈতিক সহিংসতা এখনো থামেনি। এরপরও প্রশাসন যদি নীরব থাকে, তবে সেটি জনগণের নিরাপত্তার সঙ্গে সরাসরি বিশ্বাসঘাতকতা।

অঞ্জন দাস বলেন, এই নির্বাচন যদি অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ না হয় তবে তার দায় নির্বাচন কমিশন ও প্রশাসনকে নিতে হবে। আমরা ভয় দেখিয়ে থামিয়ে দেওয়া মানুষ নই। মাথাল মার্কা নিয়ে আমরা জনগণের শক্তিতেই সামনে এগোব।

শেষে তিনি জনগণের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, এই নির্বাচনকে গণভোটে পরিণত করুন। অন্যায়, দমন ও ভয়ের রাজনীতির বিরুদ্ধে হ্যাঁ ভোট দিন।