প্রধান বিচারপতি ও বিচার বিভাগই দেশনেত্রীর উপর সবচেয়ে বেশী অবিচার করেছে : তৈমূর


Kamrul Islam Sohel প্রকাশের সময় : ডিসেম্বর ৩০, ২০২৫, ৮:৫৬ অপরাহ্ন / ১০০০
প্রধান বিচারপতি ও বিচার বিভাগই দেশনেত্রীর উপর সবচেয়ে বেশী অবিচার করেছে : তৈমূর

নারায়নগঞ্জ নিউজ এক্সপ্রেস :
দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে সিনিয়র এ্যাডভোকেট ড. তৈমুর আলম খন্দকার এক শোক বার্তায় বলেন যে- “আমার নেত্রী বেগম খালেদা জিয়া ছিলেন জাতীয়তাবাদী শক্তির ঐক্যের প্রতীক, যার সমকক্ষ নেতৃত্ব আজ পর্যন্ত গড়ে উঠেনি। আমি জাতীয়তাবাদ, গনতন্ত্র, ধর্মীয় মূল্যবোধে বিশ্বাসী ও যে কোন অগ্রাসন ও অধিপত্যবাদের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছি জ্ঞান হওয়ার পর থেকেই; সে সুবাধে বি.এন.পি’র তৎসময়ের বারবার কারাবরন ও রাজপথের গুলি খাওয়া একজন সক্রিয় কর্মী হিসাবে দেশনেত্রীকে আমি অনেক কাছ থেকে দেখার ও বুঝার সুযোগ আল্লাহ পাক আমাকে দিয়েছেন। ১/১১ সরকারের সময় জিয়া পরিবারকে ছেড়ে পালিয়ে বা সংস্কারে যাই নাই, এক সাথে জেল খেটেছি। বি.এন.পি’র মহাসচিব স্বতন্ত্র নির্বাচনের ঘোষনা না দিলে আমি মেয়র পদে নির্বাচন অবশ্যই করতাম না। মুক্তিযুদ্ধ ও শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের শাহাদাতের পর থেকেই দেশনেত্রীর কঠিন ও চ্যালেঞ্জিং জীবন যাত্রা শুরু হয়। তিনি ছিলেন এড়ফ এরভঃবফ (আল্লাহ্রপদত্ত) নেতৃত্বের অধিকারী; যার ফলে ধৈর্য্য, অদম্য সাহস ও ইস্পাত কঠিন মানসিকতার কারনে সকল বাধা অতিক্রম করে শত কোটি মানুষের হৃদয়ের আস্থার স্থান করে নিয়েছেন। অভ্যন্তরীন কোন্দলে আমি দল থেকে বহিস্কৃত হওয়া স্বত্বেও দেশনেত্রীর প্রতি পূর্বেও শ্রদ্ধাশীল ছিলাম, আছি এবংভবিষ্যতেও থাকবো। আমি বহিস্কার হওয়ার পর র্শীষ নেতাদের তিনি জিজ্ঞাসা করেছিলেন “আমার তৈমূর কই? তাকে কেন বহিস্কার করলা, দলের প্রতি তার কি কোন অবদান নাই? ”একথা আমি মিডিয়াতে দেখেছি ও শুনেছি। তাই সব সময়বলি “আমার পিঠের চামড়া দিয়ে দেশনেত্রীর জুতা বানিয়ে দিলেও এ-ঋণ শোধ হবেনা”। দেশনেত্রী খালেদা জিয়া আমৃত্যু স্বৈরাচার সরকার দ্বারা অযাচিত ভাবে নির্যাতিত ও নিগৃহিত হয়েছেন। প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বাধীন বিচার বিভাগ দেশনেত্রীর প্রতি সবচেয়ে বেশী অবিচার করে বিচার অঙ্গনে একটি জঘন্য নজীর স্থাপন করেছে। হে পরম করুনাময় আল্লাহ, আমার নেত্রীকে ইহকাল ও পরকালের সর্বোচ্চ সম্মান ও হেফাজত দান করুন”।