ইজ্জত রক্ষার জন্য সোনারগাঁয়ের মানুষ ফুটবলে ভোট চায় : গিয়াসউদ্দিন


Kamrul Islam Sohel প্রকাশের সময় : ফেব্রুয়ারী ৬, ২০২৬, ৮:৫৫ অপরাহ্ন / ১০০০
ইজ্জত রক্ষার জন্য সোনারগাঁয়ের মানুষ ফুটবলে ভোট চায় : গিয়াসউদ্দিন

 

নারায়নগঞ্জ নিউজ এক্সপ্রেস :
নারায়ণগঞ্জ-৩ (সিদ্ধিরগঞ্জ-সোনারগাঁও) আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী বীর মুক্তিযোদ্ধা মুহাম্মদ গিয়াস উদ্দিন বলেছেন, সোনারগাঁয়ের অধিকাংশ মানুষ শিক্ষিত জ্ঞানী এবং ভালো। সেখান থেকে অনেকেই এমপি মন্ত্রী হয়েছেন। অনেকেই উচ্চ পর্যায়ে সরকারী কর্মকর্তা হয়েছেন। ভালো ভালো প্রতিষ্ঠানে অনেকে শিক্ষকতা করেন এবং অনেকে ভালো চাকুরী করেন। এসব ভালো মানুষ আমাকে বারবার অনুরোধ করেছেন, এই আসনে আমাকে প্রার্থী হতে। তারা ওই এলাকার মানুষের কাছে ইজ্জত রক্ষার জন্য ভোট চায় ফুটবল মার্কার জন্য। তারা বাড়ি বাড়ি গিয়ে আমার জন্য ভোট চাইছে।
তাদের মতে, আমি নির্বাচন করলে তাদের মান সম্মান রক্ষা পাবে। আর আমি যদি নির্বাচন না করি, বিএনপির মনোনীত প্রার্থী যদি এমপি হয়ে যায় তাহলে কোনভাবেই সোনারগায়ের মানুষ এই লজ্জা ঢাকতে পারবেনা। ওই মানুষগুলোকে আমি ধন্যবাদ দেই।
শুক্রবার (৬ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে সিদ্ধিরগঞ্জের ১নং ওয়ার্ডের সর্বস্তরের জনগণের আয়োজনে নির্বাচনী পথসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য তিনি এসব কথা বলেন।
এসময় তিনি বলেন, আমরা সাতজন এমএ পাশ ব্যক্তি বিএনপি থেকে মনোনয় চেয়েছিলাম। একজনকেও মনোনয়ন দেয় নাই। মান্নান সাহেব কিছুদিন আগে দস্তখত করা শিখেছে, তাকে মনোনয় দিয়েছে। আমাদের সাতজনের যোগ্যতা নাই সেজন্য আমাদেরকে দেয় নাই। ওনার যোগ্যতা আছে সেজন্য দিয়েছে। আমাদের যোগ্যতা নাই, কারণ আমরা পড়ালেখা করে একটা পর্যায়ে এসেছি। আমরা সৎ জীবনযাপন করি। চাঁদাবাজি, দখলবাজি, লুটপাট করিনা, কাউকে ইট বালু রড সিমেন্ট সরবরাহ করার জন্য চাপ প্রয়োগ করিনা। কাজেই আমাদের কাছে অর্থবিত্ত্ব কম।
আর ৫ই আগস্ট ২০২৪ এ দেশের পরিবর্তন আসার সাথে সাথে সবজায়গায় তারা চাঁদবাজি, লুটপাট করেছে। তারা শিল্প কারখানা দখল করে নিয়েছে, তারা এমন কোন অপকর্ম নাই যা করে নাই যা দ্বারা তারা কোটি কোটি টাকা উপার্জন না করেছে। এই অর্থই হলো তার (মান্নান) যোগ্যতা। আর আমাদের অযোগ্যতা হলো শিক্ষা এবং সততা।

বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও সমাজ সেবক ফজলে খোদা সোহেলের সভাপতিত্বে উক্ত পথসভায় উপস্থিত ছিলেন, সিদ্ধিরগঞ্জ থানা বিএনপির সাবেক সভাপতি মাজেদুল ইসলাম, সাবেক ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক আবুল হোসেন, সাবেক দপ্তর সম্পাদক ডা. মাসুদ করিম, ৬নং ওয়ার্ড বিএনপির সাবেক সভাপতি মো. মোস্তফা, মোছলেহ উদ্দিন সেলিম, জেলা কৃষকদলের সাবেক সদস্য সচিব কায়সার রিফাত, যুবদল নেতা শাহজালাল কালু, ওসমান গণি, আকাশ প্রধান ও মিলন প্রমূখ।