সোনারগাঁ‌য়ে যুবদল নেতা‌ জহির ফকিরকে কু‌পি‌য়ে হত‌্যা


Kamrul Islam Sohel প্রকাশের সময় : অক্টোবর ২২, ২০২৬, ২:৩৭ অপরাহ্ন / ১০০০
সোনারগাঁ‌য়ে যুবদল নেতা‌ জহির ফকিরকে কু‌পি‌য়ে হত‌্যা

সোনারগাঁ‌য়ে যুবদল নেতা‌ জহির ফকিরকে কু‌পি‌য়ে হত‌্যা

 

নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ে বাড়ি ফেরার পথে জহির ফকির (৩৮) নামের এক যুবদল নেতাকে কুপিয়ে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। বুধবার (২১ অক্টোবর) রাত ১০টার দিকে উপজেলার চরকিশোরগঞ্জ এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। স্বজনদের দাবি, এর আগেও জহিরের ওপর হামলা হয়েছিল। সেবার প্রাণে বাঁচলেও এবার আর রক্ষা পাননি তিনি।

 

নিহত জহির ফকির আড়াইহাজার উপজেলার কালাপাহাড়িয়া এলাকার মোহাম্মদ আব্দুর রহমানের ছেলে। তিনি কালাপাহাড়িয়া ইউনিয়ন যুবদলের সভাপতি ছিলেন। অবিবাহিত জহিরের একটি ফার্মেসি ছিল সোনারগাঁয়ের চরকিশোরগঞ্জ এলাকায়।

 

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বুধবার রাতে ফার্মেসি বন্ধ করে বাড়ি ফিরছিলেন জহির। পথে ১৫ থেকে ২০ জনের একটি দল তাঁর গতিরোধ করে। এরপর তাঁকে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে গুরুতর আহত করে ফেলে রেখে যায়। স্থানীয় লোকজন তাঁকে উদ্ধার করে মুন্সিগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাঁর মৃত্যু হয়।

 

জহিরের ভাগিনা ইসমাইল হোসেনের অভিযোগ, কালাপাহাড়িয়া এলাকার মুবারক নামের এক রাজনৈতিক নেতার সঙ্গে তাঁর মামার বিরোধ ছিল। ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী হওয়ার আলোচনায় থাকায় মুবারক পরিকল্পিতভাবে এ হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছেন। হত্যায় জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্ত করে গ্রেপ্তার ও বিচারের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন তিনি। তবে এ অভিযোগের বিষয়ে মুবারকের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

 

আড়াইহাজার উপজেলা যুবদলের সদস্যসচিব খোরশেদ আলম বলেন, জহির যুবদলের ত্যাগী নেতা ছিলেন। তাঁর বাড়ি কালাপাহাড়িয়ায় হলেও তিনি মুন্সিগঞ্জে থাকতেন। জহির প্রায়ই তাঁকে বলতেন, কেউ তাঁকে মেরে ফেলবে। তবে কার সঙ্গে জহিরের বিরোধ ছিল, তা তিনি নিশ্চিত নন।

 

সোনারগাঁ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ আব্দুল বারিক বলেন, ফার্মেসি বন্ধ করে বাড়ি ফেরার পথে প্রতিপক্ষের লোকজন জহিরকে কুপিয়ে আহত করে। পরে হাসপাতালে নেওয়া হলে তাঁর মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় পুলিশ তদন্ত করছে। তদন্ত শেষে বিস্তারিত জানানো সম্ভব হবে বলে জানান তিনি।