
বন্দরে চাকরির প্রলোভনে ২ কিশোরকে মারধর করে টাকা ও মোবাইল লুটের ঘটনায় কিশোর গ্যাংয়ের ৫ সদস্য গ্রেপ্তার
বন্দরে চাকরি দেওয়ার নাম করে দুই কিশোরকে মোবাইল ফোনে ডেকে এনে মারধর করে নগদ টাকা ও মোবাইল লুটেরর ঘটনায় থানায় মামলা দায়ের হয়েছে। এ ঘটনায় কিশোর গ্যাংয়ের ৫ সদস্যকে আটক করে গণধোলাইয়ের পর পুলিশে সোপর্দ করেছে স্থানীয় জনতা। গত বুধবার (২৪ জুন) রাতে বন্দর থানার ফরাজিকান্দার তৃতীয় শীতলক্ষ্যা সেতুর টোলপ্লাজার সামনে এ ঘটনা ঘটে। এ ব্যাপারে আহতের বড় ভাই হাফিজুর রহমান বাদী হয়ে আটককৃতদের বিরুদ্ধে বন্দর থানায় মামলা দায়ের করেছে। যার মামলা নং- ৩৭(৬)২৬। গ্রেপ্তারকৃতরা হলো বন্দর উপজেলার ইস্পাহানি এলাকার খোকন মিয়ার বাড়ির ভাড়াটিয়া আনোয়ারুল মিয়ার ছেলে মোহিত (১৭), একই বাড়ির ভাড়াটিয়া আব্বাস মিয়ার ছেলে মোহাম্মদ তামিম (১৪), মিলন মিয়ার ছেলে সৌরভ (১৭), ইস্পাহানি এলাকার আলমগীর মিয়ার বাড়ির ভাড়াটিয়া মিজান মিয়ার ছেলে মেহেদী হাসান (১৭) এবং কামাল মিয়ার বাড়ির ভাড়াটিয়া বাপ্পি মিয়ার ছেলে সাব্বির (১৫)।বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) গ্রেপ্তারকৃতদের বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) দুপুরে উল্লেখিত মামলায় আদালতে প্রেরণ করেছে পুলিশ ।
মামলার বাদী হাফিজুর রহমান জানান, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকের মাধ্যমে নাটোর জেলার সিংড়া থানার কামার বড়িয়া গ্রামের ইমরানের ছেলে লিমনের (১৪) সঙ্গে তামিমের পরিচয় হয়। লিমন সম্পর্কে তার (বাদীর) এলাকার ছোট ভাই। পরিচয়ের সূত্র ধরে তামিম চাকরি দেওয়ার কথা বলে লিমন ও তাকে বুধবার সন্ধ্যার দিকে বন্দর খেয়াঘাটে ডেকে আনে।
পরবর্তীতে তামিমসহ ৫ কিশোর একটি ব্যাটারিচালিত অটো রিকশায় করে তাদের বন্দরে ফরাজীকান্দার তৃতীয় শীতলক্ষ্যা সেতুর সামনে নিয়ে যায়। সেখানে নির্জন স্থানে নিয়ে লিমন ও তাকে মারধর করে তাদের সঙ্গে থাকা মোবাইল সেট ও নগদ টাকা ছিনিয়ে নেয়। এ সময় তাদের চিৎকার শুনে আশেপাশের লোকজন দ্রুত এগিয়ে এসে ধাওয়া দিয়ে ওই ৫ কিশোরকে আটক করে গণপিটুনি দিয়ে পুলিশে সোপর্দ করে ।
এ ব্যাপারে বন্দর থানার ইন্সপেক্টর (তদন্ত) আনিসুর রহমান জানান, চাকরির প্রলোভন দেখিয়ে ডেকে এনে মারধর ও ছিনতাইয়ের ঘটনায় থানায় মামলা হয়েছে। ছিনিয়ে নেওয়া মোবাইল ও টাকা উদ্ধার করা হয়েছে। গ্রেপ্তারকৃত ৫ কিশোরকে বৃহস্পতিবার আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।
আপনার মতামত লিখুন :