ফতুল্লায় কিশোরকে বলাৎকারের ঘটনায় অভিযুক্ত মাদ্রাসা শিক্ষককে পুলিশে সোপর্দ


Kamrul Islam Sohel প্রকাশের সময় : সেপ্টেম্বর ২, ২০২৬, ৯:৪০ অপরাহ্ন / ১০০০
ফতুল্লায় কিশোরকে বলাৎকারের ঘটনায় অভিযুক্ত মাদ্রাসা শিক্ষককে পুলিশে সোপর্দ

ফতুল্লায় কিশোরকে বলাৎকারের ঘটনায় অভিযুক্ত মাদ্রাসা শিক্ষককে পুলিশে সোপর্দ

নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় ১৭ বছরের এক কিশোরকে বলাৎকারের অভিযোগে রফিকুল ইসলাম (২৫) নামে এক মাদ্রাসা শিক্ষককে আটক করে পুলিশে দিয়েছে স্থানীয় জনতা। বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) বিকালে ফতুল্লার মুসলিমনগর এতিমখানা মোড় এলাকার ‘তাসিরুল কোরআন মাদ্রাসা’য় এ ঘটনা ঘটে।

​আটককৃত অভিযুক্ত রফিকুল ইসলাম মুন্সীগঞ্জের টঙ্গিবাড়ী থানার বরুনদা এলাকার মৃত আব্দুল মান্নানের ছেলে। তিনি বর্তমানে ফতুল্লার মুসলিমনগর এলাকার উক্ত তাসিরুল কোরআন মাদ্রাসায় শিক্ষকতা ও বসবাস করে আসছিলেন।

ভিকটিম কিশোর (১৭) ফতুল্লার এতিমখানা মোড় এলাকার নুর আলমের ছেলে।

​স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, বুধবার বিকেল আনুমানিক ৪টা ৫০ মিনিটের দিকে তাসিরুল কোরআন মাদ্রাসার ভেতরে কিশোর আব্দুল আহাদকে জোরপূর্বক বলাৎকার করেন অভিযুক্ত রফিকুল ইসলাম। পরবর্তীতে ঘটনাটি জানাজানি হলে স্থানীয় এলাকাবাসী ক্ষুব্ধ হয়ে উঠে এবং অভিযুক্তকে আটক করে গণধোলাই দেয়।

​সংবাদ পেয়ে ফতুল্লা থানা পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন এবং অভিযুক্ত রফিকুলকে হেফাজতে নেন।

গণধোলাইয়ে আহত হওয়া অভিযুক্ত মাদ্রাসা শিক্ষককে হওয়ায় উদ্ধার করে নারায়ণগঞ্জ খাঁনপুরস্থ ৩০০ শয্যা হাসপাতালে চিকিৎসা প্রদান করা হয়।

ফতুল্লা মডেল থানার ওসি (তদন্ত) আনোয়ার হোসেন জানান, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে অভিযুক্তকে আটক করেছে। বর্তমানে ভিকটিম ও অভিযুক্ত উভয়েই পুলিশ হেফাজতে রয়েছে। অভিযুক্ত চিকিৎসাধীন রয়েছে এবং এ বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ প্রক্রিয়াধীন।

এদিকে অভিযুক্ত মাদ্রাসা শিক্ষক রফিকুল ইসলাম জানান, তার বিরুদ্ধে আনিত অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা ও বানোয়াট৷ মাদ্রাসাটি সুনামের সাথে শিক্ষা কার্য্যক্রম অত্যান্ত নিষ্টার সাথে পরিচালনা করে আসছে। মাদ্রাসার সুনাম নষ্ট করার জন্য তাকে পরিকল্পিতভাবে ফাঁসানো হয়েছে।