ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ লিংক রোডে ফুটওভার ব্রিজের দাবিতে শিক্ষার্থী-এলাকাবাসীর বিক্ষোভ, ডিসির আশ্বাসে কর্মসূচি স্থগিত


Kamrul Islam Sohel প্রকাশের সময় : এপ্রিল ২২, ২০২৬, ৯:৩৮ অপরাহ্ন / ১০০০
ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ লিংক রোডে ফুটওভার ব্রিজের দাবিতে শিক্ষার্থী-এলাকাবাসীর বিক্ষোভ, ডিসির আশ্বাসে কর্মসূচি স্থগিত

ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ লিংক রোডে ফুটওভার ব্রিজের দাবিতে শিক্ষার্থী-এলাকাবাসীর বিক্ষোভ, ডিসির আশ্বাসে কর্মসূচি স্থগিত

 

ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ লিংক রোডের ফতুল্লা স্টেডিয়াম সংলগ্ন স্থানে ফুটওভার ব্রিজের দাবিতে আন্দোলনে নেমেছেন বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থী ও স্থানীয় এলাকাবাসী। বুধবার (২২ এপ্রিল) দুপুরে জাতীয় ছাত্র শক্তি নারায়ণগঞ্জ জেলা ও মহানগর শাখার ব্যানারে কয়েক শ শিক্ষার্থী ও সাধারণ মানুষ জেলা প্রশাসকের কার্যালয় ঘেরাও করে এই বিক্ষোভ প্রদর্শন করেন।

 

বিক্ষোভকারীরা জানান, ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ লিংক রোডটি বর্তমানে এক্সপ্রেসওয়ে হিসেবে ব্যবহৃত হওয়ায় এখানে প্রচণ্ড গতিতে যানবাহন চলাচল করে। সড়কের একপাশে লামাপাড়াসহ বেশ কিছু এলাকা এবং অপর পাশে ফতুল্লার তক্কার মাঠ ও কুতুবপুরের বিশাল জনপদ। প্রতিদিন হাজার হাজার মানুষ ও শিক্ষার্থীদের জীবনের ঝুঁকি নিয়ে এই সড়ক পার হতে হয়। কোনো ফুটওভার ব্রিজ বা গতিরোধক না থাকায় হাত উঁচিয়ে ইশারা দিয়ে রাস্তা পার হতে হয়, যা অত্যন্ত বিপজ্জনক। এর ফলে প্রায়ই এখানে দুর্ঘটনা ও প্রাণহানি ঘটছে।

 

এই সমস্যার স্থায়ী সমাধানে ফুটওভার ব্রিজ বা আন্ডারপাস নির্মাণের দাবিতে সকালে ফতুল্লা স্টেডিয়ামের সামনে মানববন্ধন শেষে একটি বিক্ষোভ মিছিল নিয়ে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের নিচে অবস্থান নেন আন্দোলনকারীরা।

 

আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের সঙ্গে আলোচনার পর জেলা প্রশাসক জানান, ফতুল্লা স্টেডিয়াম সংলগ্ন স্থানে ফুটওভার ব্রিজ নির্মাণের পরিকল্পনা প্রশাসনের আগে থেকেই ছিল। তিনি বলেন, “এখানে ব্রিজ নির্মাণের সব প্রস্তুতি সম্পন্ন, এখন শুধু টেন্ডার হওয়া বাকি। টেন্ডার প্রক্রিয়া শেষ হলেই দ্রুত কাজ শুরু হবে। বিষয়টি শিক্ষার্থীরা আগে জানত না, আমার কাছে এসে তারা বিস্তারিত বুঝতে পেরেছে।”

 

আগামী আগস্ট বা সেপ্টেম্বর মাসের মধ্যে ব্রিজের কাজ সম্পন্ন হবে বলে তিনি আশ্বস্ত করেন। এছাড়া শিক্ষার্থীদের দাবির প্রেক্ষিতে তিনি জানান, আগামী ৩০ এপ্রিলের মধ্যে সেখানে জননিরাপত্তায় ট্রাফিক পুলিশ মোতায়েন করা হবে। পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের দাবির প্রেক্ষিতে, প্রকৌশলীদের সঙ্গে কথা বলে কারিগরিভাবে সম্ভব হলে জেব্রা ক্রসিং বা গতিরোধক দেওয়ার বিষয়টিও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

 

জেলা প্রশাসকের পক্ষ থেকে সুনির্দিষ্ট সময়সীমা ও বাস্তব চিত্র জানার পর শিক্ষার্থীরা সন্তোষ প্রকাশ করে তাদের আজকের কর্মসূচি স্থগিত করেন।