দুই মাসেই জনপ্রিয়তা তুঙ্গে : প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলমকে ঘিরে ষড়যন্ত্র


Kamrul Islam Sohel প্রকাশের সময় : এপ্রিল ২৯, ২০২৬, ৬:২৬ অপরাহ্ন / ১০০০
দুই মাসেই জনপ্রিয়তা তুঙ্গে : প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলমকে ঘিরে ষড়যন্ত্র

দুই মাসেই জনপ্রিয়তা তুঙ্গে : প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলমকে ঘিরে ষড়যন্ত্র

 

‘গ্রামীণ উন্নয়ন ব্যাহত করে বিএনপি সরকারের সুনাম নস্যাতে অসাধু চক্রের অপপ্রচার’

 

স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলমের সঙ্গে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের একটি আস্থাশীল ও ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক রয়েছে। সেই আস্থার জায়গা থেকেই প্রধানমন্ত্রী তাঁকে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব দিয়েছেন, আর দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকেই তিনি দেশজুড়ে স্থানীয় সরকার ব্যবস্থাকে গতিশীল করতে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন।

 

বগুড়া, সিলেট, যশোর—প্রতিদিনই তিনি এক জেলা থেকে আরেক জেলায় ছুটে বেড়াচ্ছেন। যেখানে কাজ ভালো হচ্ছে, সেখানে প্রশংসা করছেন; আর যেখানে অনিয়ম বা স্থবিরতা, সেখানে কঠোর অবস্থান নিচ্ছেন, দিচ্ছেন কারণ দর্শানোর নোটিশ। এই দৃঢ়তা ও কর্মতৎপরতাই তাঁকে অল্প সময়েই আলাদা করে তুলেছে।

নিজের জেলা বগুড়া ও শিবগঞ্জ আসনের মানুষের প্রতিও তিনি সমানভাবে মনোযোগী। মানুষের সমস্যা সমাধান, উন্নয়ন কার্যক্রম ত্বরান্বিত করা—সব ক্ষেত্রেই তিনি ইতোমধ্যে ইতিবাচক দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন। জাতীয় সংসদেও তাঁর বক্তব্য দেশবাসীর দৃষ্টি আকর্ষণ করতে সক্ষম হয়েছে। অল্পদিনেই তিনি দেশজুড়ে ব্যাপক জনপ্রিয়তা অর্জন করেছেন। এছাড়াও দেশের শিক্ষা ব্যবস্হার আমুল পরিবর্তনে নেপথ্যে থেকে কাজ করে যাচ্ছেন তিনি। প্রাইমারি স্কুলের শিক্ষার্থীরা স্কুল ড্রেস, জুট ব্যাগ, জুতা ফ্রি দেয়ার যে পরিকল্পনা সরকারের, সে কমিটির অন্যতম একজন তিনি।

 

যখন তিনি দেশের জন্য নিরলস পরিশ্রম করে সরকারের সুনাম বৃদ্ধি করছেন

ঠিক এই সময়েই তাঁর বিরুদ্ধে তথাকথিত ‘ঘুষ বাণিজ্যের’ অভিযোগ সামনে আনা হয়েছে—যা অনেকের কাছেই উদ্দেশ্যপ্রণোদিত, ভিত্তিহীন ও কাল্পনিক বলে প্রতীয়মান হচ্ছে। কারণ, ঢাকা জেলার ডিসি পদায়ন যে কথা উঠেছে, সেই ঢাকা জেলার সাথে প্রতিমন্ত্রীর কোন সংশ্লিষ্টতা নেই। তার নির্বাচনী এলাকাও নয়, আবার তার বাড়িও এখানে নয়।

 

প্রশ্ন হচ্ছে—কেন এখন?

প্রধানমন্ত্রী যখন ছয় মাসের জন্য মন্ত্রণালয়গুলোর কার্যক্রম মূল্যায়নের ঘোষণা দিয়েছেন, তখনই কি কোনো একটি মহল পরিকল্পিতভাবে প্রতিমন্ত্রীকে বিতর্কিত করার চেষ্টা করছে? যাতে প্রধানমন্ত্রীর আস্থায় ফাটল ধরানো যায়, কিংবা তাঁকে দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দেওয়ার পরিবেশ তৈরি করা যায়? অনেকের ধারণা, দেশজুড়ে প্রতিমন্ত্রীর কর্মচঞ্চলতায় উন্নয়ন ছড়িয়ে পড়েছে, এতে সরকারের সুনাম বাড়ছে। এই সুনাম নস্যাৎ করতেই এমন মিথ্যা প্রপাগন্ডা চালাচ্ছে একটি অসাধু চক্র।

 

মীর শাহে আলমকে যারা কাছ থেকে চেনেন, তারা জানেন—তিনি হঠাৎ করে অনৈতিক পথে পা বাড়ানোর মতো অরাজনৈতিক বা অপরিণামদর্শী নন। বরং তিনি একজন পরিশ্রমী, মেধাবী ও দায়িত্বশীল নেতৃত্ব, যার কাজই তাঁর পরিচয়।

 

রাজনীতিতে মতভেদ থাকতেই পারে, পক্ষ-বিপক্ষও থাকবে। কিন্তু মিথ্যা অভিযোগ তুলে একজন কর্মঠ নেতাকে বিতর্কিত করা কোনো সুস্থ রাজনীতির লক্ষণ নয়। এতে ব্যক্তি নয়, ক্ষতিগ্রস্ত হয় উন্নয়ন—বঞ্চিত হয় একটি অঞ্চল। দীর্ঘদিন পর বগুড়া একটি কার্যকর প্রতিমন্ত্রী পেয়েছে, যিনি কাজকে প্রাধান্য দেন। তাঁকে ঘিরে বিতর্ক তৈরি করা মানে বগুড়া তথা পুরো দেশের চলমান উন্নয়নযাত্রাকে বাধাগ্রস্ত করা।

 

মনে রাখতে হবে, মীর শাহে আলম শুধু বগুড়ার নয়—পুরো দেশের জন্য সম্ভাবনার একটি প্রতীক। এই সম্ভাবনাকে রক্ষা করা, এগিয়ে নেওয়া—এটা কেবল একজন নেতার দায়িত্ব নয়, বরং সবার সম্মিলিত দায়িত্ব।