বন্দরে মাদকবিরোধী অভিযানে রমজান-গাজীর বেলায় সোচ্ছার হলেও ব্ল্যাক জনি বেলায় নিরব আশা!


Kamrul Islam Sohel প্রকাশের সময় : জুলাই ২৯, ২০২৬, ৬:১৪ অপরাহ্ন / ১০০০
বন্দরে মাদকবিরোধী অভিযানে রমজান-গাজীর বেলায় সোচ্ছার হলেও ব্ল্যাক জনি বেলায় নিরব আশা!

বন্দরে মাদকবিরোধী অভিযানে রমজান-গাজীর বেলায় সোচ্ছার হলেও ব্ল্যাক জনি বেলায় নিরব আশা!

 

নারায়ণগঞ্জ বন্দর এলাকায় মাদকবিরোধী অবস্থান নিয়ে সাধারণ মানুষের মনে হঠাৎ করেই নানা প্রশ্নের দানা বাঁধতে শুরু করেছে| স্থানীয় মাদক কারবারি রমজান ও গাজীর আস্তানায় প্রকাশ্যে সোচ্চার ভূমিকা পালন করলেও, রহস্যজনকভাবে ‘ব্ল্যাক জনি’র বেলায় নীরব ভূমিকা পালন করছেন স্থানীয় সাবেক সংসদ সদস্য এডভোকেট আবুল কালামের পুত্র আবুল কাউছার আশা| মাদক নির্মূলে তার এই হঠাৎ ‘দ্বিমুখী নীতি’ বা নীরবতা নিয়ে এখন বন্দরবাসীর মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও কৌতূহল সৃষ্টি হয়েছে|

স্থানীয়দের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে নারায়ণগঞ্জ বন্দরের বিভিন্ন অলিগলিতে মাদকের ভয়াল থাবা বিস্তার করে চলেছে একাধিক মামলার চিহ্নিত আসামি ব্ল্যাক জনি| তার আস্তানায় এখনও রাত-দিন হরদমে চলছে হরেক রকমের মাদকের কেনাবেচা| মাদকের বিষাক্ত ছোবলে ধ্বংসের মুখে এলাকার যুবসমাজ|

সম্প্রতি স্থানীয় এলাকাবাসীকে সঙ্গে নিয়ে তীব্র প্রতিবাদের মুখে নাসিক ২৩নং ওয়ার্ডে মাদক ব্যবসায়ী রমজান ও গাজীর আস্তানা বন্ধ ও তাদের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ালেও, একাধিক গুরুতর মামলার আসামি ব্ল্যাক জনির আস্তানার দিকে কেন নজর দিচ্ছেন না আবুল কাউছার আশা? তিনি মাদক ব্যবসার বিরুদ্ধে বারবার সোচ্চার হওয়ার দাবি করলেও জনমনে একটাই প্রশ্ন ঘুরপাক খাচ্ছে—ব্ল্যাক জনির আস্তানার বিরুদ্ধে কেন তিনি এখনও কোনো ব্যবস্থা বা উদ্যোগ নিচ্ছেন না?

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন স্থানীয় বাসিন্দা জানান, “রমজান আর গাজীর বেলায় যদি পুলিশ বা স্থানীয় নেতৃত্ব সোচ্চার হতে পারে, তবে ব্ল্যাক জনির মতো কুখ্যাত মাদক কারবারির বেলায় সবাই এমন নিরব কেন? তার আস্তানায় তো এখনো প্রকাশ্যে মাদক বিক্রি চলছে| তবে কি ব্ল্যাক জনি কারও ছত্রচ্ছায়ায় পার পেয়ে যাচ্ছে?”

বন্দরবাসীর দাবি, মাদকের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ বা অভিযান হতে হবে নিরপেক্ষ ও সর্বাত্মক| কোনো নির্দিষ্ট মাদক কারবারির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিয়ে অন্যদের সুযোগ করে দেওয়া হলে মাদকের অভিশাপ থেকে বন্দরকে মুক্ত করা সম্ভব নয়| অতি দ্রুত ব্ল্যাক জনির আস্তানা গুঁড়িয়ে দিয়ে তাকে আইনের আওতায় আনার জন্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও স্থানীয় নেতৃত্বের জোর হস্তক্ষেপ দাবি করেছেন সচেতন এলাকাবাসী|