
খাদ্যখাতের উন্নয়ন ও ব্যবসাবান্ধব পরিবেশ প্রত্যাশা, নতুন খাদ্যমন্ত্রীকে সোহাগের শুভেচ্ছা
খাদ্য মন্ত্রণালয়ের নবনিযুক্ত মন্ত্রী আফরোজা খানম রিতাকে ফুলেল শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন দেশের খাদ্যশিল্পের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ী নেতারা। এ সময় দেশের খাদ্য নিরাপত্তা জোরদার, খাদ্যপণ্যের বাজারে স্থিতিশীলতা বজায় রাখা এবং ব্যবসায়ীদের জন্য অনুকূল পরিবেশ তৈরিতে নতুন মন্ত্রীর সফলতা কামনা করা হয়।
সম্প্রতি খাদ্যমন্ত্রী আফরোজা খানম রিতার সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করে ফুলের তোড়া দিয়ে শুভেচ্ছা জানান বাংলাদেশ ফ্লাওয়ার মিল ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি আলহাজ মোহাম্মদ সোহাগ, সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ মঈন উদ্দিন (মাসুদ) এবং বাংলাদেশ ফর্টিফাইড রাইস মিলারস অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি সৈয়দ জুলফিকার মাহমুদ নিয়াজ।
সাক্ষাৎকালে ব্যবসায়ী নেতারা নতুন খাদ্যমন্ত্রীর দায়িত্বে সাফল্য কামনা করে বলেন, দেশের খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করার পাশাপাশি খাদ্যপণ্যের উৎপাদন, প্রক্রিয়াজাতকরণ ও সরবরাহ ব্যবস্থা স্বাভাবিক রাখতে সরকারের সঙ্গে বেসরকারি খাতের সমন্বয় আরও বাড়ানো প্রয়োজন। এ ক্ষেত্রে নতুন মন্ত্রীর নেতৃত্বে কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া হবে বলে তারা আশা প্রকাশ করেন।
বাংলাদেশ ফ্লাওয়ার মিল ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি আলহাজ মোহাম্মদ সোহাগ বলেন, দেশের মানুষের নিত্যপ্রয়োজনীয় খাদ্যপণ্যের অন্যতম হলো আটা ও ময়দা। এ শিল্পের সঙ্গে জড়িত উদ্যোক্তারা উৎপাদন ও সরবরাহ সচল রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন। তাই খাদ্যশিল্পের বিভিন্ন সমস্যা চিহ্নিত করে ব্যবসায়ীদের সঙ্গে সমন্বয়ের মাধ্যমে সমাধানের উদ্যোগ নেওয়া হলে এ খাত আরও গতিশীল হবে।
তিনি আরও বলেন, খাদ্যশিল্পের উন্নয়ন এবং বাজারে স্থিতিশীলতা ধরে রাখতে সরকারের নীতিগত সহায়তা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। নতুন খাদ্যমন্ত্রী ব্যবসায়ী ও শিল্প উদ্যোক্তাদের সঙ্গে সমন্বয় করে কাজ করবেন—এমন প্রত্যাশা রয়েছে।
এদিকে, বাংলাদেশ ফর্টিফাইড রাইস মিলারস অ্যাসোসিয়েশনের নেতারাও নতুন খাদ্যমন্ত্রীর সঙ্গে সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্কের মাধ্যমে দেশের পুষ্টি ও খাদ্য নিরাপত্তা কার্যক্রম আরও এগিয়ে নেওয়ার আশাবাদ ব্যক্ত করেন। বিশেষ করে পুষ্টিসমৃদ্ধ চাল উৎপাদন ও সরবরাহ বাড়ানোর ক্ষেত্রে সরকারি-বেসরকারি সহযোগিতা গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
ব্যবসায়ী নেতারা মনে করেন, গম, চাল, আটা ও ময়দাসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় খাদ্যপণ্যের বাজার স্থিতিশীল রাখতে উৎপাদন থেকে শুরু করে আমদানি, প্রক্রিয়াজাতকরণ, মজুত ও সরবরাহ—প্রতিটি পর্যায়ে কার্যকর সমন্বয় প্রয়োজন। পাশাপাশি শিল্প উদ্যোক্তাদের বিদ্যমান সমস্যাগুলো নিয়ে নিয়মিত আলোচনা হলে খাদ্যখাতের সম্ভাবনাকে আরও কাজে লাগানো সম্ভব হবে।
নতুন খাদ্যমন্ত্রীর দায়িত্ব গ্রহণের পর খাদ্যশিল্পের সঙ্গে সরকারের যোগাযোগ আরও জোরদার হবে এবং ব্যবসাবান্ধব নীতি গ্রহণের মাধ্যমে এ খাতে নতুন গতি আসবে বলে প্রত্যাশা করছেন সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ী নেতারা।
নতুন মন্ত্রী দেশের খাদ্য নিরাপত্তা, বাজার ব্যবস্থাপনা ও খাদ্যশিল্পের উন্নয়নে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবেন—এমন প্রত্যাশা ব্যক্ত করে তাঁর সুস্বাস্থ্য ও সফলতা কামনা করেন বাংলাদেশ ফ্লাওয়ার মিল ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন ও বাংলাদেশ ফর্টিফাইড রাইস মিলারস অ্যাসোসিয়েশনের নেতারা।
আপনার মতামত লিখুন :