বন্দরে পুলিশকে কুপিয়ে অস্ত্র লুট মামলার আসামি ও চিহ্নিত ছিনতাইকারী মানিক গ্রেফতার


Kamrul Islam Sohel প্রকাশের সময় : জুন ৫, ২০২৬, ৮:৩৬ অপরাহ্ন / ১০০০
বন্দরে পুলিশকে কুপিয়ে অস্ত্র লুট মামলার আসামি ও চিহ্নিত ছিনতাইকারী মানিক গ্রেফতার

বন্দরে পুলিশকে কুপিয়ে অস্ত্র লুট মামলার আসামি ও চিহ্নিত ছিনতাইকারী মানিক গ্রেফতার

 

বন্দর থানা পুলিশের এক সাহসী ও কৌশলী অভিযানে পুলিশ আক্রান্তের মামলার এজাহারভুক্ত আসামি এবং ওই এলাকার চিহ্নিত ছিনতাইকারী মানিককে (২৮) গ্রেফতার করা হয়েছে। গত বৃহস্পতিবার রাত আনুমানিক ১১টার দিকে বন্দর দক্ষিণ কলাবাগ এলাকার শাহজাহান মিয়ার বাড়ির সামনে থেকে তাকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয় পুলিশ।

 

ধৃত সন্ত্রাসী মানিক দক্ষিণ কলাবাগ এলাকার মনির মিয়ার ছেলে। তার বিরুদ্ধে বন্দর থানায় একাধিক মামলা ও অভিযোগ রয়েছে বলে পুলিশ সূত্রে নিশ্চিত করা হয়েছে।

 

থানা পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, বন্দর থানার অফিসার ইনচার্জের (ওসি) বিশেষ নির্দেশনায় এবং এসআই মাসুদ রানার নেতৃত্বে পুলিশের একটি চৌকস টিম এই অভিযান পরিচালনা করে। দক্ষিণ কলাবাগ এলাকায় আসামি মানিকের অবস্থানের গোপন খবর পেয়ে পুলিশ সদস্যরা সেখানে ছদ্মবেশে অবস্থান নেন। একপর্যায়ে এসআই মাসুদ রানা কৌশলে মানিক কিছু বুঝে ওঠার আগেই এসআই মাসুদ রানা তাকে ঝাপটে ধরেন এবং সঙ্গীয় ফোর্সের সহায়তায় তাকে দ্রুত পুলিশের জিপ গাড়িতে তুলে থানা হেফাজতে নিয়ে যাওয়া হয়।

 

স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, সম্প্রতি চৌধুরী বাড়ি এলাকায় একটি মোবাইল ছিনতাইয়ের ঘটনার তদন্তে গিয়ে সন্ত্রাসীদের হামলার শিকার হয় পুলিশ। ওই সময় কর্তব্যরত পুলিশের ওপর হামলা চালিয়ে অস্ত্র লুটের ঘটনা ঘটে। ধৃত মানিক ওই চাঞ্চল্যকর মামলার অন্যতম এজাহারভুক্ত আসামি।

এছাড়াও দীর্ঘদিন ধরে মানিক ও তার গ্যাং দক্ষিণ কলাবাগ, ঝাউতলা এবং চৌধুরী বাড়ি এলাকায় সাধারণ কর্মজীবী মানুষকে জিম্মি করে আসছিল। গভীর রাতে বাড়িফেরা মানুষের গলায় ছুরি বা ধারালো অস্ত্র ঠেকিয়ে মোবাইল, টাকা-পয়সা ও মূল্যবান সামগ্রী ছিনতাই করাই ছিল তাদের মূল কাজ। অনেক ক্ষেত্রে বাধা দিলে সাধারণ মানুষকে কুপিয়ে জখম করে সর্বস্ব লুটে নিত এই চক্রটি। তার এই গ্রেফতারের খবরে এলাকায় স্বস্তি নেমে এসেছে।

 

এ বিষয়ে বন্দর থানা পুলিশ জানায়, এলাকায় আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে চিহ্নিত অপরাধী ও ছিনতাইকারী মানিককে গ্রেফতার করে আদালতে পাঠানো হয়েছে। এবং তার সহযোগীদের ধরতেও অভিযান অব্যাহত থাকবে।